Creative Marketers BD

Category: Blog

আমি মোঃ বাধন। ক্রিয়েটিভ মার্কেটার্স বাংলাদেশ এর মোঃ হাবিব ভাই এর সাথে আমার পরিচয়, আমাদের অফিস থেকে। ২০১৯ সালের মাঝামাঝি অথবা শেষের দিকে আমরা আমাদের অফিস এর জন্য এসইও এক্সপার্ট খুজছিলাম। বিডি জবস,ফেসবুক বিভিন্ন জায়গায় পোস্ট করি জব টা। তো উনি ইন্টারভিউ দিতে আসেন।উনার ইন্টারভিউ আমাদের খুবই পছন্দ হয়। কিন্ত সমস্য ছিল উনি ইন্ডিয়া যাবেন তখন। এসে জয়েন করতে পারবেন।  তো আমরা বললাম আচ্ছে ঠিক আছে,যদি আমাদের স্লট খালি থাকে তখন জয়েন করতে পারবেন ইনশাআল্লাহ্‌।

 

Client SEO Review Badhon vai

 

 

তো উনি ইন্ডিয়া থেকে এসে আমাদের কল করে , যদিও আমরা একজনকে নিয়েছিলাম,কিন্ত তার ইন্টারভিউ ভালো লেগেছিল বিধায় আমরা উনাকে আসতে বলি। আর আমাদের অনেকগুলো প্রজেক্ট থাকাতে আমরা ২টা টিম করে দেই। একটা টিম এ তার সাথে আরেকজন ডেভেলপার। আমাদের ডেভেলপমেন্ট এর কাজ কম থাকতো তাকে আমরা এস,ই,ও টিম এ দিয়ে দেই যদিও তার এসইও এর কোন পুর্ববর্তী জ্ঞান ছিল না। আর অন্য টিমে আরেকজনের সাথে অফিসের পুরোনো একজন।

 

তো হাবিব ভাই সম্ভবত মাসের শেষের সপ্তাহতে জয়েন করেন। আমরা তাকে একদম নতুন একটি সাইটের দায়িত্ব দেই।  উনি কিওয়ার্ড রিসার্চ করে বললেন কন্টেন্ট লাগবে অনেক। তাই উনাকেই দায়িত্ব দিলাম কন্টেন্ট রাইটার এর। পরে উনি কন্টেন্ট রেডি করে সাইটে আপডেট করলেন আর আমাদের বললেন ৩ মাসের মত সময় লাগবে র‍্যাঙ্ক এ আসতে।

 

কিন্ত মাত্র ১.৫-২ মাসের মধ্যেই উনি আমাদের টার্গেট কিওয়ার্ড একটা প্রথম পেজে নিয়ে আসেন,শুধু তাই নয় উনার সাথে যাকে দিইয়েছিলাম তাকেও ব্যকিলিংক রিলেটেড অনেক কিছু শিখিয়ে নিয়েছে। আর উনি অই মাসের আমাদের বেষ্ট ইমপ্লয়ি অ্যাওয়ার্ড পেলেন।  অন্যদিকে আমাদের অন্য টীমের পারফমেন্স আশানুরুপ না হওয়াতে আমরা ২টা টিমের সকল প্রজেক্ট এর দায়িত্ব উনাকে দিলাম তো এরপর আমাদের কাজ ভালই চলছিল।

 

তার কিছুদিন পর উনি জানালেন আমাদের কিছু প্রজেক্ট আছে যেগুলো ইসলামিক ভাবে করা উচিত নয় বলে উনি জানতে পেরেছেন। তখন আমরা উনাকে বলি, আচ্ছা আপনার করার প্রয়োজন নেই,আপনি আপনার টিম মেম্বারদের দিয়ে করান।

 

উনি,তাতেও অস্বীকৃতি জানান। এরপর আমরা উনাকে ইন্টারভিউ নিয়ে ভাল একজনকে হায়ার করে দিতে বলি।  উনার ইন্টারভিউ স্কিল দেখে আমরা আরও বুঝতে পারি যে উনি কতটা দক্ষ লোক ছিলেন। এটা এজন্য বলছি, সার্কুলার দিলে আমাদের দেশে সিভি অনেক জমা পরে, লোকও অনেক ইন্টারভিও দিতে আসেন কিন্ত যোগ্য লোক পাওয়া খুবই মুশকিল ।

 

তো যাই হোক উনি অনেকের ইন্টারভিও নিলেন, উনার রিটেন এক্সামে ৪০ এর মধ্যে সম্ভবত  দুই থেকে তিনজন 25 থেকে 30 এর মধ্যে নাম্বার পেয়েছেন । আর অধিকাংশ ই 10 এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল।

 

উনি যখন চলে যান তখন ওনার সাথে আমি যোগাযোগ রাখি এবং পরে জানতে পারি উনি ক্রিয়েটিভ মার্কেটার্স বাংলাদেশ নামে একটি নতুন কম্পানি খুলেছেন যার উদ্দেশ্য হচ্ছে উনি যেন শুধুমাত্র হালাল প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করতে পারেন ।

 

এরপর আমি পরবর্তীতে ব্যাক্তিগত ভাবে ওনার সাথে যোগাযোগ রাখি কিছু প্রজেক্ট এর ব্যাপার নিয়ে। তো আমাদের প্রজেক্টগুলো উনি প্রথমে যাচাই-বাছাই করে দেখেন যেগুলো হালাল প্রজেক্ট আছে সেগুলোতে কাজ করেন।

 

Client SEO Review Badhon vai

 

আমরা এখন ওনার কোম্পানির থেকে কয়েকটি প্রোজেক্টের সার্ভিস নিচ্ছি । ভবিষ্যতে আমাদের অনেক বড় পরিকল্পনা আছে, অনেকগুলো প্রজেক্ট রান করানোর। বরাবরের মত ওনাদের থেকেই সার্ভিস নিব এবং ভালো সার্ভিস পাবো বলে আশাবাদি। ক্রিয়েটিভ মার্কেটার্স বাংলাদেশ কে ধন্যবাদ আমাদের কষ্ট করে কোয়ালিটি লোক খুজে হায়ার করতে হয় না। এখানেই আমরা সব ধরনের ডিজিটাল মার্কেটিং সার্ভিস পেয়ে যাই।

আমি মোঃ ইমরান ফাহিম.  আমি ত্রিমাত্রিক মাল্টিমিডিয়া এর ফাউন্ডার এবং সিইও। আমার ওয়েবসাইট ইলেকট্রনিক্স প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করে।  ক্রিয়েটিভ মার্কেট বিডি এর সাথে আমার পরিচয়  বলতে মূলত এর ফাউন্ডার মোহাম্মদ হাবিব ভাইয়ের সাথে আমার ফেসবুক থেকে পরিচয়। প্রথমে আমি ওনার কোয়ালিটি টেস্ট করার   উদ্দেশ্যে আমার একটা ওয়েবসাইট আহুজা বিডি এর জন্য সার্ভিস নিই।

 

প্রথমত, যখন আমার টার্গেট কিওয়ার্ডগুলো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সুন্দর ভাবে র‍্যাঙ্কে নিয়ে এসে তখন আমি আসলে বুঝতে পারি যে হ্যাঁ ওনাদের দিলে আমি কোয়ালিটি সার্ভিস পাব আসলে ইনশাল্লাহ।  এরপরে আমি ওনাকে আমার আরো যে ওয়েবসাইট গুলো আছে পর্যায়ক্রমে  zktecobangladesh.info ,  ক্যারি ব্যাগ বিডি ও ত্রিমাত্রিক বিডি এর  টার্গেটেড  কিওয়ার্ড গুলোতে  রেঙ্ক এর জন্য কাজ দেই।

 

আলহামদুলিল্লাহ উনি আমার zkteco বাংলাদেশ সাইটের অধিকাংশ টার্গেটেড কিওয়ার্ডগুলো কে গুগলের প্রথম পেজে নিয়ে আসে অল্পকিছুদিন সময়ের মধ্যে।  এরপরে উনি আমার ক্যারি ব্যাগ বিডি সাইটের ২টা টার্গেটেড কিওয়ার্ড ছিল সেগুলো কেউ গুগলের টপ  পজিশনে এ  নিয়ে আসেন।

 

এরপর ত্রিমাত্রিক বিডি সাইটের অনেকগুলো কিওয়ার্ড নিয়ে উনি আসলে কাজ শুরু করেন কিন্তু আমার বাজেট উনাদের পেমেন্ট এর সাথে আসলে সেভাবে ম্যাচ হচ্ছিল না। আমি আসলে ওনাদের বাজেটের থেকে কিছু কম এ কাজগুলো  শুরু করতে চাই।  আমার অনেক জোরাজুরিতে উনি কাজগুলো শুরু করেন কিন্তু পরবর্তীতে উনি জানান এত কম পেমেন্ট এ আসলে ওনাদের জন্য কাজ করা কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে।

 

এরপরে আমরা পরামর্শ সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নেই যে যখন আমি উনাদের বাজেট অনুসারে আমার কাজগুলো করাতে পারবো তখন পুনরায় উনাদের কাছ থেকে সার্ভিস নিব ইনশাল্লাহ।

 

তবে সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে ওনারা আমার একটা সাইটের দুইটা  কিওয়ার্ড এর উপর কাজ করে সেগুলো  প্রথম পেজে এবং দ্বিতীয় পেজে এনেছিল কিন্তু টপ পজিশনে আনতে পারেনি।  ওনারা বলেছিলেন আরো বাজেট প্রয়োজন এগুলোকে টপ রেজাল্টে নিয়ে আসতে। পরে আমার আর বাজেট না থাকায় উনারা এই দুইটা কিওয়ার্ড রাঙ্ক এর জন্য আমার কাছ থেকে যে টাকা নিয়েছিলেন তা  আমাকে রিফান্ড করে দেন।

 

উনাদের মতো প্রফেশনাল এবং ভালো কোয়ালিটির সার্ভিস প্রোভাইডার আমি খুব কমই দেখেছি। বাংলাদেশে সাধারনত এমনটা পাওয়া যায় না।  যদি আমার বাজেট আবার বৃদ্ধি করতে পারি তাহলে অবশ্যই ওনাদের থেকে পুনরায় সার্ভিস নিব ইনশাআল্লাহ।

আমাদের দেশে এসইও সার্ভিস নেওয়ার ক্ষেত্রে একটি কমন রিকোয়ারমেন্ট দেখা যায়। বেশীর ভাগ লোকেরই কেমন এসইও সার্ভিস লাগবে এই প্রশ্নের উত্তরে জবাব হয়, “একটু কমের মধ্যে বা চীপ প্রাইসে” ।সবার কথাই বলছিনা, তবে বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই এমনটি হয়।

আচ্ছা, আপনিও কি কোন ওয়েবসাইটের সাথে জড়িত? আপনিও কি এসইও সার্ভিস খুজছেন? আপনি চীপ কিংবা কোস্ট যেমন এসইও সার্ভিসই খুজে থাকুন না কেন এই আর্টিকেলটি আপনার পড়ে দেখা উচিত। কিন্তু কেন? এই আর্টিকেলটি পড়ার মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন কেন  চীপ এসইও হার্ট করে। তাই, এপনিও যদি ভূল গুলো করে থাকেন এগুলো থেকে দূরে থাকতে পারবেন।

তো আর দেরী না করে চলুন শুরু করা যাক।

 

শুরুতেই এসইও টা কি একটু সংক্ষেপে জেনে নেওয়া যাক

আপনার যদি একটি ওয়েবসাইট থেকে থাকে আপনি হয়তো শব্দটির সাথে পরিচিত। এর পূর্নরুপ হচ্ছে  ‘সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন”। সহজভাবে বলতে গেলে এসইও হচ্ছে সেই সকল অপ্টিমাইজেশন টেকনিক যা কোন ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের টপ রেজাল্টে নিয়ে আসে। এর জন্য রয়েছে বিভিন্ন ধরনের সকল কলাকৌশল। বাংলাদেশ সহ অন্যান্য সকল দেশগুলিতে এখন এসইও সার্ভিস বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

 

তাহলে চীপ এসইও কি?

চীপ এসইও হচ্ছে কম টাকার মধ্যে এসইও সার্ভিস নেওয়া। যদিও আমরা সকলেই প্রায় এই কথাটার সাথে পরিচিত যে, “জিনিস যেটা ভালো, দাম তার একটু বেশী” । কিন্তু তারপরও আমরা অনেকেই চীপ এসইও সার্ভিস খুজে থাকি। এতে করে কি আসলেই আমরা টাকা সেভ করতে পারি? নাকি এটার জন্য আমাদের অন্যদিক থেকে বড় কোন মূল্য দিতে হয়?

 

চীপ এসইও কেন হার্ট করে?

 

  • লিঙ্ক বিল্ডিং হবে কিন্তু র‍্যাঙ্কিং পাবেন না

 

Why Cheap SEO Costs Too Much

 

চীপ এসইও সার্ভিসের অন্যতম বড় যেই সমস্যা সেটি হল, আপনার সাইটের জন্য লিঙ্ক বিল্ডিং হয়তো হবে কিন্তু এতে করে আপনার সাইট র‍্যাংকে আসবে না। ফেসবুকে বিভিন্ন গ্রুপে আপনি হয়তো মাঝে মধ্যেই পোস্ট দেখতে পাবেন যে, কেউ অনেক কম খরচে বিভিন্ন ধরনের ১০০/২০০/৩০০ লিঙ্ক বিল্ডিং করে দিতে চাচ্ছে। এতে করে কিন্তু র‍্যাঙ্কিং হবে কিনা বা এতে করে লাভের লাভ কোন কিছু হবে কিনা এটা প্রশ্ন করলে কোন উত্তর দিতে পারবে না।

এসইও সার্ভিস নিয়ে আপনি কি চান? অবশ্যই আপনার ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের টপ রেজাল্টে নিয়ে এসে আরও বেশি ভিজিটর পেতে চান এবং তাদের কাছে আপনার পন্য বা সেবা বিক্রি করতে চান।

কিন্তু আপনি যদি র‍্যাঙ্কে না আসতে পারেন তাহলে একঝুড়ি ব্যাকলিঙ্ক দিয়ে লাভ টা কি? লাভ কিছু না হলেও রয়েছে উল্টো অনেক ক্ষতি যা আপরা পরবর্তী পয়েন্ট গুলিতে আলোচনা করবো। তাই এই ধরনের ক্ষতিকারক ব্যাকলিংক থেকে দূরে থাকুন। এগুলোর জন্য আপনি যদি ১০০ টাকাও খরচ করেন এতে করে আপনার লাভের লাভ কিছুই হবে না উলটো যেই ক্ষতির সম্মুখীন হবেন তা পোষাতে বেশ বড়সড় অঙ্কের টাকা লেগে যেতে পারে।

 

  • ব্যাকলিঙ্ক ইনডেক্স হবে না

Why Cheap SEO hurts

আপনার ওয়েবসাইটকে রেফার করে যেই লিঙ্কটি করা হয় তাই হল আপনার সাইটের ব্যাকলিঙ্ক। এখন আপনি যদি চীপ এসইও সার্ভিস নিয়ে থাকেন তাহলে বেশীর ভাগ ব্যাকলিঙ্কই ইনডেক্স হবে না। দেখুন, গুগোলের কাছে ব্যাকলিঙ্ক হচ্ছে একটি ভোটের মত। একটি ব্যাকলিঙ্ক থাকা মানে হচ্ছে একটি ভোট তার রয়েছে।

কিন্তু, এই ভোট টি কাউন্ট হবার জন্য সেটা গুগলে ইনডেক্স হওয়া জরুরী। ইনডেক্স টা আবার কি? গুগলের ডাটাবেইসে কোন কিছু সেইভ হওয়া। এখন আপনার সাইটের জন্য যে সকল লিঙ্ক করা হচ্ছে তা যদি গুগলে ইনডেক্স ই না হয় তাহলে তো সেগুলো কোন ভোট হিসাবে কোন কাউন্টই হবে না।

তার মানে এই দারাচ্ছে, আপনি যদি এমন হাজার হাজার লিঙ্কও করিয়ে রাখেন, ইনডেক্স না হলে তা গুগলের কাছে আপনার সাইটের জন্য ভ্যালুলেস। ধরুন, আপনি নির্বাচনে দাড়িয়েছেন। আপনাকে এমন ৫০ জন ভোট দিল যারা কেউ ভোটারই না। আর, আপনার প্রতিদ্বন্দীকে এমন ৫ জন ভোট দিল যারা ভোটার। এখানে জয়ী কে হবে? ৫ টা বৈধ ভোট নিয়ে কিন্তু আপনার প্রতিদ্বন্দী জিতে যাবে। গুগলে ইনডেক্স না হওয়া লিঙ্ক আর অপ্রাপ্তবয়ষ্ক দের থেকে পাওয়া ভোট দুটোই ভ্যালুলেস।

আর কিছু ব্যাকলিঙ্ক যদি ইনডেক্স হয়েও যায়, তাহলে পড়বেন আবার অন্য বিপদে। এমনিতেই এই দিকে বিপদ, ইনডেক্স হলে আবার সেটা কি বিপদ?

 

  • সাইটের স্প্যাম স্কোর বেড়ে যাবে

 

Why Cheap SEO Costs

 

ঐ কথায় আছে না সস্তার তিন অবস্থা। চীপ এসইও হচ্ছে তারই একটা বাস্তব চিত্র। চীপ এসইও এর যে সকল লিঙ্ক ইনডেক্স হবে সেগুলো আবার আপনার সাইটের স্প্যাম স্কোর বেড়ে যাবে। স্পাম স্কোর কি?

বিভিন্ন ধরনের স্প্যামিং সাইট থেকে লিঙ্ক আসার পার্সেন্টেইজ অনুযায়ী একটি স্কোর গননা করা হয়, সেটিই স্প্যাম স্কোর। এই স্কোর যত বেড়ে যাবে আপনার সাইটের জন্য সব দিক থেকেই ক্ষতি। র‍্যাঙ্ক হারানো থেকে শুরু করে গুগল থেকে ডি-ইনডেক্সও হয়ে যেতে পারেন। কিন্তু লিঙ্ক গুলো এভাবে ক্ষতি করার কারন কি?

ধরুন, আপনি ঢাকাতে ওষুধের ব্যাবসায়ের সাথে জড়িত। কিন্তু আপনি সব যায়গায় আপনার বিজনেস প্রমোট করলেন মাফিয়া ডন দাউদ ইব্রাহিমের সাথে একসাথে ছবি তুলে। এতে করে আপনার ব্যবসায়ের জন্য কি ক্ষতি হবে নাকি ভালো? একে তো দাউদ ইব্রাহিমের সাথে ঔষুধের কোন সম্পর্ক নেই, তার উপর উনি আবার মাফিয়া। দেখবেন সিবিআই, সি আই ডি ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা আপনার পিছনে পড়ে যাবে। ব্যবসায়ের লাভের চিন্তা তো ভুলেই যাবেন, সার্ভাইভ করাই কষ্ট হয়ে যাবে। সেইম ব্যাপারটা চীপ এসইও এর ক্ষেত্রে ঘটে।

বিভিন্ন স্পামি সাইট থেকে বাল্ক লিঙ্ক আসার কারন গুগল আপনাকে সন্দেহ করে ফেলে । আপনার সাইট আছে ধরুন গ্রাফিক্স রিলেটেড, আর ব্যাকলিঙ্ক আসছে খাবার, রেস্ট্রুরেন্ট এই ধরনের সাইট থেকে। ব্যাপার টা কেমন হবে? যারা চীপ এসইও সার্ভিস দিয়ে থাকে তারা বাল্ক লিঙ্ক বিল্ডিং এর সময় এই ধরনের কাজই করে থাকে। আর ফলাফল কি আসে? গুগল তখন গোয়েন্দা সংস্থার মত আপনার সাইটকে হারিয়ে দিবে।

 

  • গুগল এর পেঙ্গুইন আপডেট অনুযায়ী পেনাল্টি খাবার সম্ভাবনা থাকে

 

Why Cheap SEO Costs Too much

 

২০১২ সালে গুগল এর এলগারিদমে এই পেঙ্গুইন আপডেট টি আসে। এই আপডেটে গুগল মুলত সার্চ রেজাল্ট থেকে অস্বাভাবিক লিঙ্ক সম্বলিত ওয়েবসাইট সড়িয়ে ফেলে। তাই এই ২০২০ সালে এসে অন্তত আপনি গুগল কে লিঙ্ক দিয়ে যদি বোকা বানাতে চান আপনার সাইটকেই গুগল বিনা নোটিশে কারাগারে পাঠিয়ে দিবে। আর একবার যদি পেনাল্টি খেয়ে যান, সেই সাইট পেনাল্টি থেকে ফিরিয়ে এনে আবার ভালো পজিশনে দাড় করাতে যে খরচ আপনাকে পোহাতে হবে আগের থেকেই কোয়ালিটি এসইও সার্ভিস করালে তার ৪ ভাগের ১ ভাগ খরচেই হয়ে যেত।

স্পামিং লিঙ্ক ডিস্যাভো করতে করতেই জীবন শেষ হয়ে যাবে। যারা চীপ এসইও সার্ভিস দিয়ে থাকে তারা তো কিছু ব্যাকলিঙ্ক করে দিয়েই টাকা নিয়ে চলে যাবে। এতে করে আপনার সাইটের র‍্যাঙ্ক হবে কিনা বা এর জন্য ভবিষ্যতে কোন ক্ষতি হবে কিনা এই ব্যাপারে তাদের কোন মাথা ব্যাথা নেই। তাই আপনি যদি ভেবে থাকেন অল্প কিছু টাকা দিয়ে এসব ভুলভাল এসইও সার্ভিস নিয়ে আপনার সাইটকে গুগলের টপ রেজাল্টে নিয়ে আসবেন নিতান্তই ভূলের মধ্যে রয়েছেন।

 

 

  • লং টার্ম স্ট্র্যাটেজি দিতে পারে না

 

জেনে নিন চীপ এসইও কেন হার্ট করে?

 

চীপ এসইও সার্ভিস যারা দিয়ে থাকে তারা কেউ কখনই আপনাকে লং টার্ম ওয়ার্কিং স্ট্র্যাটেজি দিতে পারবে না। তারা শুধু আপনার থেকে টাকা নিবে এবং অল্প সময়ের মধ্যে অনেক গুলো ব্যাকলিঙ্ক করে দিবে যেগুলো কোন কাজেই আসবে না।

আচ্ছা এসইও সার্ভিস নিয়ে আপনি কি র‍্যাঙ্কিং চান নাকি ব্যাকলিঙ্ক চান? লং টাইম ওয়ার্কিং স্ট্র্যাটেজি তে আগাতে চান নাকি সল্প সময়ের মধ্যেই সাইটকে ক্ষতির মুখে ফেলতে চান? এত সব অসুবিধা থাকার পড়েও অনেক সময়ই আমরা এসব চিন্তা ভাবনা না করে চীপ এসইও সার্ভিস নিয়ে ফেলি। কেন আমরা এটি করি? টাকা কম লাগবে এর জন্য? কিন্তু আল্টিমেটলি কি আসলেই টাকা কম লাগে? আমি কিন্তু আপনাদের বলছি না যে মাসে হাজার হাজার ডলার খরচ করুন। বাজেটের একটা বিষয় তো থাকেই। বাজেটের মধ্যেই চেষ্টা করুন কোয়ালিটি এসইও সার্ভিস প্রভাইডার খুজে বের করুন। কারো থেকে সার্ভিস নেওয়ার আগে পোর্টফোলিও দেখুন। লং টার্ম স্ট্র্যাটেজি কাজ করবে কিনা জেনে নিন। নাহলে যে অচিরেই আপনার সাইট গুগল থেকে হারিয়ে যাবে।

 

শেষকথা

এভাবে বলতে থাকলে আরও অনেক সমস্যার কথাই বলা যাবে যে কেন চীপ এসইও হার্ট করে। কিন্তু তার মধ্যে মেইন ব্যাপার গুলি আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম যেন আপনারা এই ধরনের ভূল না করে থাকেন। আশা করি, এর ক্ষতিকর বিষয় গুলো সবাই বুঝতে পেরেছেন। পরিশেষে একটি কথা বলতে চাই, প্রয়োজনে কোন এসইও ই করবেন না সাইটে তাও দয়া করে চীপ এসইও সার্ভিস নিয়ে সাইটের ক্ষতি করবেন না। আর একটি কথা শুধু যে বেশী দাম দিয়ে এসইও সার্ভিস নিলেই সেটি ভালো হবে তাও কিন্তু নয়।

তাহলে কিভাবে এসইও সার্ভিসের মান যাচাই করা যায়?? চাইলে এখান থেকে জেনে নিতে পারেন।

এই ধরনের আরও দরকারী সব আর্টিকেল পেতে ক্রিয়েটিভ মার্কেটার্স বাংলাদেশ এর সাথেই থাকুন। এসইও সার্ভিস এর ব্যাপারে কোন প্রশ্ন থাকলে বা সার্ভিস নিতে আগ্রহী হলে এখনই যোগাযোগ করুন। আপনার ব্যবসায়ের জন্য রইলো শুভকামনা। ধন্যবাদ সকলকে।

আচ্ছা আপনার কাছ থেকে সরাসরি প্রডাক্ট কেনার সম্ভাবনা কাদের সব থেকে বেশী? নিঃসন্দেহে যারা আপনার বিজনেস লোকেশনের আশেপাশে আছে তারাই। আচ্ছা একবার ভেবে দেখুন তো টার্গেট করে যদি তাদের সামনে আপনার বিজনেস কে তুলে ধরা যায়, তাহলে কেমন হবে ব্যাপারটা? এটাই হচ্ছে লোকাল এসইও এর পাওয়ার।শুনতে তো ভালোই শোনাচ্ছে, চলুন বিস্তারিত জানা যাক যে লোকাল বিজনেসের জন্য লোকাল এসইও এর গুরুত্ব আসলে কতটুকু?

এটা আসলে ভালো প্রফিট করতে সহায়তা করে নাকি খুব একটা লাভজনক নয়? কিছুক্ষনের মধ্যেই পেয়ে যাবেন আপনার সব প্রশ্নের উত্তর। তো আর কোন ধরনের কোন দেরী না করে চলুন শুরু করা যাক।

 

লোকাস এসইও টা আসলে কি?

 

What is Local SEO

 

লোকাল এসইও এর গুরুত্ব যদি বুঝতে চান তাহলে সবার প্রথমে লোকাল এসইও সম্পর্কে একটি ব্যাসিক ধারণা থাকতে হবে। সহজ ভাবে বলতে গেলে, লোকাল এসইও হচ্ছে কোন নির্দিষ্ট যায়গাকে টার্গেট করে ঐ যায়গার লোকাল সার্চ রেজাল্টে উঠে আসার জন্য সাইটকে অপ্টিমাইজ করা।

চলুন একটি উদাহরন দেখে নেওয়া যাক।

আপনার মোবাইলটি বের করুন আর গুগোলে গিয়ে লিখুন Best Restaurant Near Me ।  আপনার আশেপাশের কিছু রেস্ট্রুরেন্ট এর নাম দেখাবে। আপনি কিন্তু জানেন না যে আসলে কোন রেস্ট্রুরেন্ট এর খাবার খেতে আসলে কেমন  হবে। কিন্তু তারপরও, আপনার সার্চ রেজাল্টের প্রথম যে রেস্ট্রুরেন্ট দেখাবে সেটিকেই আপনার কাছে আপাতভাবে ভালো বলে মনে হবে। গুগোল করার অভ্যাসটা ইউরোপে বেশ আগে থেকেই। কিছুটা দেরীতে হলেও বাংলাদেশ, ভারত সহ এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলিও এখন গুগোল করতে অভ্যস্ত হচ্ছে।

ধরুন নতুন কোথায় গেলেন কোন কিছু চিনতে পারছেন না গুগোল ম্যাপে দেখে নিলেন, হঠাত করে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লো হাসপাতালে নেওয়া দরকার গুগোলে দেখে নিলে Best Hospital Near Me। সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহারের যে ট্রেন্ড সেটা গত কয়েক বছরে বাংলাদেশীদের মধ্যে বেশ ভালো ভাবেই লক্ষনীয়। এবং এটা আস্তে আস্তে আরও বেশী বাড়তে থাকবে।

বর্তমানে বাংলাদেশে ১০ মিলিয়নেরও বেশী মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকে। এদের মধ্যে কমবেশি সবাই গুগোল ব্যবহার করে কারন বাংলাদেশে সার্চ রেজাল্টের মধ্যে গুগোলের দখলে রয়েছে ৯৮.২ শতাংশ! তো এখানে বিশাল পরিমান সুযোগ রয়েছে। এখানে লোকাল এসইও কিভাবে ভুমিকা রাখতে পারে লোকাল বিজনেসের ক্ষেত্রে?

 

  • লোকাল কাস্টমারেরা আপনাকে সহজেই খুজে পাবে

 

Customer Can Find You

 

যে কোন ব্যবসাতেই কাস্টমারদের আপনার উপস্থিতি সম্পর্কে জানান দেওয়া বাঞ্চনীয়। ধরুন আপনার একটি রেস্টুরেন্ট রয়েছে যেখানের খাবার খুবই ভালো মানের এবং সুস্বাদু। এখন কাস্টমাররা যদি নাই জানে যে আপনার রেস্টুরেন্ট সম্পর্কে তাহলে আপনি যত ভালো খাবারই বানান না কেন এতে আপনার সেল আসার সম্ভাবনা খুবই কম। কারন, কেউ তো জানেই না আপনার রেস্টুরেন্ট সম্পর্কে। অন্যদিকে, ধরুন আপনি লোকাল এসইও সার্ভিস নিলেন। আপনার রেস্টুরেন্ট ধরে নিলাম ঢাকার উত্তরা তে।

প্রতিমাসে যদি গড়ে ২০০ জন লোক সার্চ করে থাকে উত্তরাতে ভালো রেস্টুরেন্ট সম্পর্কে এবং সেখান থেকে যদি ৪ ভাগের ১ ভাগ লোকও আপনার রেস্টুরেন্টে আসে, প্রতি মাসে ৫০ জন করে আপনার কাস্টমার বাড়বে। আর আপনার খাবারের মান যদি ভালো হয়ে থাকে এবং এদের মধ্যে যদি ৫০% লোকও আপনার রেগুলার কাস্টমার হয়ে যায় আর প্রতি মাসেই কাস্টমার যদি বাড়তেই থাকে, তাহলে বুঝতে পারছেন আপনার প্রফিট করার কতখানি সম্ভাবনা রয়েছে?

এভাবে সব ধরনের ব্যবসাতেই আপনি লোকাল এসইও এর এই সুবিধা টি নিতে পারবেন। লোকজন খুজছে আপনার বিক্রিত পন্য বা সেবা টি।আপনাকে শুধু তাদের সামনে আপনার ব্যবসা তুলে ধরতে হবে।

 

  • কনভার্সন রেট অনেক বেশী হয়ে থাকে

 

Growing Conversion Rate

 

লোকাল এসইও এর একটি অন্যতম বড় সুবিধা হল এর কনভার্সন অনেক ভালো। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই কাস্টমারেরা ইন্সট্যান্ট সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে। তাই আপনি যদি লোকাল সার্চের টপ রেজাল্টে উঠে আসতে পারেন আপনার লোকাল বিজনেসের এতে খুবই ফায়দা হবে।

সহজ একটি উদাহরন এর মাধ্যমে খুব সহজেই আপনি লোকাল এসইও এর পার্থক্যটা বুঝতে পারবেন এবং কেন এর কনভার্সন অনেক বেশী হয়ে থাকে সেটাও ধরতে পারবেন।

ধরুন, আপনার বিজনেস কনসালটেন্সির ব্যবসা রয়েছে। এখন আপনার লোকাল এরিয়ার কারো ধরুন বিজনেস কনসালটেন্সি দরকার। এখন গুগোলে গিয়ে তো শুধু মাত্র তারাই Best Business Consultency Near Me লিখে সার্চ করবে যাদের সার্ভিসটি প্রয়োজন। আর এক্ষেত্রে দেখা যায় তাদের সার্ভিসটি ইনস্ট্যান্ট বা শীঘ্রই প্রয়োজন। এজন্যই যারাই সার্চ করছে তারা সবাই আপনার সম্ভাব্য কাস্টমার। শুধু কি তাই যেহেতু তাদের দ্রুতই সার্ভিসটি প্রয়োজন সেহেতু তারা ফিজিক্যালি আপনার অফিসে আসার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। দেখুন তারা তো সার্ভিস নেওয়ার জন্যই  খুজছে, আপনি যদি শুধু তাদের এটা বুঝিয়ে দিতে পারেন যে কেন আপনার থেকে সার্ভিসটি নেওয়া উচিত তাহলেই হয়ে গেল।

 

  • আপনার বিজনেসের ব্যাপারে কাস্টমারদের ভালো অভিজ্ঞতা হবে

 

Customer Experience

 

সবাই চায় যেন তার কাস্টমারদের সার্ভিস নেওয়ার অভিজ্ঞতা ভালো হোক। তবেই তো তাদেরকে রিপিট কাস্টমার বা পার্মানেন্ট কাস্টমার বানানো যাবে। এর জন্য আপনাকে সার্চ ইঞ্জিন থেকেই শুরু করতে হবে। কেননা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কাস্টমারদের প্রথম স্টেপ থাকে সার্চ ইঞ্জিনে আপনাকে খুজে পাওয়া।

ধরুন একজন আপনার ব্যবসা সম্পর্কে জানে বা আপনার দোকানের নাম জানে। কিন্তু সে আপনার এক্স্যাক্ট লোকেশন টি জানে না এই ক্ষেত্রে সে কি করবে? খুব বেশী সম্ভব গুগোলের শরণাপন্ন হবে। এখন গুগোলে সার্চ করে সে যদি আপনাকে খুজে না পায়। হতেই পারে সার্চের অন্যান্য যেসব রেজাল্ট আসবে সেগুলোর একটা বেঁছে নিল। এতে করে আপনি একটি সম্ভ্যাব্য কাস্টমার শুরুতেই হারিয়ে ফেললেন। একটি রিসার্চ থেকে জানা গেছে ৭১% কাস্টমার প্রথম বার কোন দোকান বা অফিসে যাওয়ার আগে গুগোলে লোকেশন দেখতে সার্চ করে থাকে। এখন সে যদি আপনাকে গুগোলে খুজে নাই পায় তাহলে তাদের ইম্প্রেশন কি হবে আপনার ব্যবসার ক্ষেত্রে? এমনকি অনেকেই এড্রেস জানা সত্তেও সিওর হয়ে নেওয়ার জন্য একবার গুগোলে সার্চ করে দেখে।

এক্ষেত্রে আপনার লোকাল এসইও লোকাল বিজনেসের জন্য সবদিক থেকে প্রফিটেবল হবে। এর সাথে আরও বেশী সংখ্যক লোক আপনার ব্যবসালে খুজে পাবে। সব থেকে দারুন ব্যাপারটি হল এরা কোন র‍্যানডম লোক নয়, এরা সবাই সার্ভিস বা পন্য নিতে আগ্রহী । লোকাল এসইও তে ইনভেস্ট করলে আপনার লোকাল কাস্টমারেরা আপনাকে খুব সহজেই খুজে পাবে এবং একদম শুরু থেকেই তাদের অভিজ্ঞতা ভালো থাকবে। এতে করে আপনার ব্যবসার ব্যাপারে বেশ ভালো একটা ইম্প্রেশন তৈরী হবে সবার মধ্যে।

 

  • দীর্ঘমেয়াদী প্রফিট রিটার্ন পাবেন

 

Long time Profit

 

আপনি যখন কোন এড ক্যাম্পেইন রান করেন তখন ততদিনই রেজাল্ট পান যতদিন আপনার এড রান থাকে। আর আপনারা যারা গুগোল, ফেসবুক বা অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে এড ক্যাম্পেইন করে থাকেন তারা তো জানেনই এটা কতটা ব্যায়বহুল। ফেসবুকসহ অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গুলিও দিন দিন খুবই ব্যায়বহুল হয়ে যাচ্ছে। শুধুমাত্র এড এর উপর ভরসা করে থাকলে আপনার লোকাল বিজনেসকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়াটা কঠিন এবং এক্সপেনসিভ হয়ে যাবে।

কিন্তু আপনি যদি লোকাল এসইও তে ইনভেস্ট করে থাকেন তাহলে তুলনামূলক কম খরচে বেশ ভালো এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রফিট রিটার্ন পাবেন। সেটা কিভাবে? ধরুন, আপনার প্রতি মাসে এড ক্যাম্পেইনের বাজেট ৫০০ ডলার। আপনি যদি এর পরিবর্তে ২০০ ডলার দিয়ে আমাদের লোকাল এসইও সার্ভিস ৬ মাসের জন্য নেন। আপনার খরচ আসবে ১২০০ ডলার যা পেইড ক্যাম্পেইন করতে  গেলে খরচ হত ৩০০০ ডলার। ৬ মাসে আপনার ১৮০০ ডলার সেভ হবে। এছাড়া, আপনি যদি ৬ মাস পর আমাদের সার্ভিস নেওয়া বন্ধও করে দেন, যতদিন আপনি লোকালি র‍্যাংকে থাকবেন ততদিনই আপনি লোকাল ভিজিটর পাবেন। কি দারুন না বিষয়টি? খরচও কম আবার রিটার্নও বেশী। লোকাল বিজনেসের ক্ষেত্রে এমন দারুন সম্ভাবনা আর অন্য কিসে পাবেন?

 

  • কাস্টমারের ভরসা বৃদ্ধি পাবে

 

Trust

 

যেকোন ব্যবসায়ের ক্ষেত্রেই “ভরসা” জিনিসটা খুবই গুরুত্বপূর্ন। বিশেষ করে লোকাল বিজনেসের ক্ষেত্রে কাস্টমারদের ট্রাস্ট অর্জন করা খুবই জরুরী। আর এক্ষেত্রে আপনাকে সহায়তা করবে লোকাল এসইও। কিন্তু কিভাবে?

অনলাইনে আপনি যত বেশী দৃশ্যমান হবে তত বেশী আপনার ব্র্যান্ড ভ্যালু এবং কাস্টমার ট্রাস্ট বৃদ্ধি পাবে। ধরুন, আপনার একটি শপিং মল রয়েছে। এখন কেউ যদি Best Shopping Mall Near Me লিখে সার্চ করে আর টপ রেজাল্ট গুলোর মধ্যে সবসময় আপনার শপিং মলকেই দেখতে পায়, তার মনে আপনার শপিং মল সম্পর্কে একটি ভালো ধারনা তৈরী হবে। অথচ যে ইতিপূর্বে কখনো জানতোই না আপনার শপিং মল সম্পর্কে।

এভাবে লোকাল সার্চ রেজাল্টে উঠে আসার মাধ্যমে আপনার ব্যবসায়ের প্রতি কাস্টমারদের ভরসা বৃদ্ধি করতে পারবেন।

আশা করি, এখন আপনারা এটা বুঝতে পেরেছেন যে লোকাল বিজনেসের জন্য লোকাল এসইও এর ভূমিকা আসলে কতখানি বেশি। লোকাল এসইও এর এগুলো ছাড়াও আরও ভুমিকা রয়েছে আমি তো শুধু তার মধ্যে থেকে গুরুত্বপূর্ন কয়েকটি পয়েন্ট তুলে ধরলাম।

আপনিও যদি আপনার লোকাল বিজনেসকে লোকাল এসইও এর মাধ্যমে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চান আপনাকেও লোকাল এসইও তে মনযোগী হতে হবে। চাইলে ক্রিয়েটিভ মার্কেটার্স বাংলাদেশ এর  লোকাল এসইও সার্ভিস চেষ্টা করে দেখতে পারেন। কোয়ালিটি নিয়ে চিন্তা করছেন? মানিব্যাক গ্যারান্টিসহ দারুন সব সুবিধা রয়েছে। সার্ভিস নিতে বা কোন বিষয়ে কোন প্রশ্ন থাকলে নির্দিধায় যোগাযোগ করুন।

নিঃসন্দেহে এসইও যে কোন ওয়েবসাইটের জন্যই খুবই গুরুত্বপূর্ন।ভালোভাবে এসইও করলে আপনি এর রিটার্নও খুব ভালো পাবেন। অন্যদিকে, এমন কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলো অনুসরণ করলে লাভ তো কিছু হবেই না, বরং আরও নানাবিধ অসুবিধার সম্মুখীন হতে হবে। অনেকেই না জেনে এসইও এর এসব ভুলগুলো করে থাকে এবং যার জন্য ওয়েবসাইট ক্ষতিগ্রস্থ হয়। আচ্ছা আপনিও এই ধরনের ভূল করছেন না তো? আপনাকে সাবধান করার জন্যই এই পোস্ট টি। আমি আপনাদের জন্য এমন ৭ টি কমন মিসটেক খুজে বের করেছি যেগুলো অনেকেই করে থাকে।

পড়ে ফেলুন এই আর্টিকেলটি এবং মিলিয়ে দেখুন আপনিও একই ভুল করছেন না তো? তাহলে আর দেরী কিসের? চলুন প্রথম পয়েন্টে চলে যাওয়া যাক।

 

মিসটেক নং ১- ভূল কিওয়ার্ড বাছাই করা

 

SEO Common Mistake

 

এসইও এর সবথেকে কমন ও মারাত্মক যে ভুলটি সবাই করে থাকে তা হল ভুল কিওয়ার্ড বাছাই করা। আপনার কিওয়ার্ড সিলেকশনে যদি ভূল হয়ে থাকে তাহলে আপনি অন্য সবকিছু যত ভালো ভাবেই করুন না কেন, গ্রো করাটা আপনার জন্য খুবই মুশকিল হয়ে যাবে।

কিওয়ার্ড রিসার্চ হচ্ছে এসইও এর ক্ষেত্রে পিলারের মত। এখানেই যদি গন্ডগোল হয়ে থাকে, তাহলে সম্পুর্ন স্থাপনাই নড়বড়ে হয়ে যাবে। তো এর থেকে বাঁচার উপায়? কিওয়ার্ড সিলেকশনে খুবই সতর্ক হতে হবে। কোন কিওয়ার্ড এর শুধু সার্চ ভলিউম দেখেই নিয়ে নেওয়া যাবে না। আনুসঙ্গিক আরও কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে।যেমন ধরুন, আপনার সার্ভিস বা প্রোডাক্ট কে খুজে পেতে আদৌ কি অডিয়েন্স ঐ কিওয়ার্ড ব্যবহার করবে?শুধুমাত্র কিওয়ার্ড এর শাব্দিক অর্থের উপর গুরুত্ব না দিয়ে সার্চ ইন্টেন্ট এর উপরও গুরুত্ব দিতে হবে।কিওয়ার্ড রিসার্চে তাড়াহুড়া একদমই করতে যাবেন না। Google Keyword Planner, Ahref, SEMrush, Moz, Keyword Revealer এসব টুলের সহায়তা নিতে পারেন। যদি ফ্রি টুলস দিয়ে কাজ সারতে চান Ubbersuggest ব্যবহার করতে পারেন। আর একটি কথা, কোন টুলস দিয়ে কিওয়ার্ড ডিফিকাল্টি চেক করে সেটাকেই অন্ধভাবে বিস্বাস করে ফেলবেন না। নিজেও একটু সময় খরচা করে ম্যানুয়ালী চেক করে দেখবেন। চাইলে কিওয়ার্ড রিসার্চ সার্ভিস নিতে পারেন।

 

মিসটেক নং ২- কিওয়ার্ড স্টাফিং করা

 

Typing Keyboard

 

কিওয়ার্ড স্টাফিং হচ্ছে বাক্যের মধ্যে জোরপূর্বক বার বার কিওয়ার্ড বসানো। দুঃখজনক হলেও সত্যি যে অনেকেই কন্টেন্ট কে এসইও ফ্রেন্ডলি করা বলতে কিওয়ার্ড স্টাফিং করাকেই বুঝে থাকেন। আপনিও যদি এটা ভেবে থাকেন যে, কিওয়ার্ড কে বারবার কন্টেন্ট এর মধ্যে ব্যবহার করায় সার্চ ইঞ্জিনের জন্য এটা সুবিধাজনক হবে তাহলে আপনি একদমই ভূলের মধ্যে আছেন।

এই ২০২০ সালে এসে কিওয়ার্ড স্টাফিং যে আপনাকে কোন উপকার করতে পারবে না এই ব্যাপারে নিশ্চিত থাকতে পারেন। আর এটিও নিশ্চিত থাকুন, কিওয়ার্ড স্টাফিং আপনার কন্টেন্ট কে এসইও ফ্রেণ্ডলি তো করবেই না বরং এসইও কে ক্ষতিগ্রস্থ করবে। একে তো বার বার জোর করে বাক্যের মধ্যে কিওয়ার্ড বসালে ব্যাপারটি রিডারসদের খুবই বিরক্ত করবে। যার জন্য অনেকেই বিরক্ত হয়ে চলে যাবে। এতে করে সাইটের বাউন্স রেট বেড়ে যাবে ও ডুয়েল টাইম কমে যাবে। অন্যদিকে, সার্চ ইঞ্জিন গুলোও স্টাফিং এর ব্যাপারটিকে স্প্যাম হিসাবে দেখে। যার জন্য আপনি পড়বেন সব দিক থেকেই বিপদে। আপনিও যদি এই ভুলটি করে থাকেন এখনি বাদ দিন।কিওয়ার্ড স্টাফিং করার পরিবর্তে এল,এস,আই ব্যবহার করতে পারেন। তবে, অবশ্যই সেটা হতে হবে ন্যাচারাল। জোর করে কোনকিছু করার চেষ্টা করবেন না।

 

মিসটেক নং ৩- ঠিকভাবে ইন্টারনাল লিঙ্কিং না করা

 

Internal Linking

 

ইন্টারনাল লিঙ্কিং এসইও এর খুবই গুরুত্বপূর্ন একটি বিষয়। বিশেষ করে অন পেজ এসইও এর ক্ষেত্রে। ইন্টার্নাল লিঙ্কিং ঠিকঠাক ভাবে না করতে পারলে আপনার অন পেজ এসইও অসম্পূর্নই থেকে যায়। কিন্তু অনেকেই এই ব্যাপারটি নিয়ে উদাসীন।

ইন্টারনাল লিঙ্কিং এর ক্ষেত্রে মূলত দুই ধরনের ভূল করতে দেখা যায়। এক হল, যেখানে দরকার সেখানে লিঙ্ক বিল্ডিং না করা। অন্যটি, অপ্রাসঙ্গিক যায়গাতে ইন্টারনাল লিঙ্কিং করে রাখা।দুটোই আপনার সাইটের জন্য সমান ভাবে ক্ষতিকারক। তাই, শুধু মন চাইলেই ইন্টারনাল লিঙ্কিং করা যাবে না। বিশেষ করে দুটি বিষয় এখানে খেয়াল রাখতে হবে। প্রথমত, আপনি যেখানে লিঙ্কিং করছেন অ্যাংকর টেক্সট কতখানি প্রাসঙ্গিক? দ্বিতীয়ত, এটি কি রিডারদের জন্য সুবিধাজনক হবে কিনা।

যদি এতে করে আপনার কন্টেন্ট টি রিডারদের জন্য আরও সুবিধাজনক হয় তাহলেই কেবল সেখানে ইন্টারনাল লিঙ্কিং করবেন। অন্যথায়, জোরপূর্বক লিঙ্ক বসিয়ে রিডার্স ও সার্চ ইঞ্জিন কে বিরক্ত করবেন না।

 

 

মিসটেক নং ৪- কোয়ালিটি লিঙ্কের উপর গুরুত্ব না দেওয়া

 

Quality Link

 

একটি ভ্রান্ত ধারনা আমাদের মধ্যে অনেকেরই রয়েছে। সেটি হল কোয়ালিটি লিঙ্কের উপর গুরুত্ব না দিয়ে কোয়ান্টিটির উপর গুরুত্ব দেওয়া। কিন্তু এটি যে কত বড় ক্ষতির কারন হয়ে দাড়ায় পরবর্তীতে এ ব্যাপারটি অনেকেরই অজানা।

আপনার সাইটের টোটাল কতগুলো ব্যাকলিঙ্ক রয়েছে এর থেকে বেশী গুরুত্বপূর্ন বিষয় হচ্ছে ব্যাকলিঙ্ক গুলো কেমন কোয়ালিটি সম্পন্ন সাইট থেকে এসেছে। তো এজন্যই অপ্রাসঙ্গিক ও লো কোয়ালিটি সাইটে ঝুড়ি ঝুড়ি ব্যাকলিঙ্ক করার থেকে প্রাসঙ্গিক ও হাই কোয়ালিটি সাইটের অল্প কিছু লিঙ্ক আপনাকে বেশী সাহায্য করবে। এক্ষেত্রে আরও একটি ভূল অনেকেই করে থাকে। সেটি হল, ঠিকমত অ্যাংকর টেক্সট না বসানো। এলোমেলো অ্যাংকর টেক্সট, অপ্রাসঙ্গিক সাইট থেকে ব্যাকলিংক, লো কোয়ালিটি ব্যাকলিঙ্ক, এগুলো সবগুলোই আপনার সাইটের জন্য ভয়ানক।

একটা সময় ছিল যখন ঝুড়ি ঝুড়ি ব্যাকলিঙ্ক র‍্যাংকিং এ ভালো প্রভাব ফেলতো। কিন্তু সেই মানদাতার আমল এখন আর নেই। তাই আপনাকেও এসব ভ্রান্ত ধারনা থেকে বাইরে বেড়িয়ে আসতে হবে। আপনার সাইটে ১০ টা লিঙ্ক থাকলেও তা যেন থাকে কোয়ালিটি লিঙ্ক। মনে রাখবেন, দুষ্টু গরুর থেকে শুন্য গোয়াল অনেক ভালো।

 

মিসটেক নং ৫- ঠিকভাবে টাইটেল ট্যাগ ও মেটা ডিসক্রিপশন না দেওয়া

 

Balance Tag

 

টাইটেল ট্যাগের মত গুরুত্বপূর্ন একটি বিষয়ে অনেকেই ভূল করে থাকেন। সার্চইঞ্জিন এর বটের কাছে টাইটেল ট্যাগ ও মেটা খুবই গুরুত্বপূর্ন একটি বিষয় কোন ওয়েব পেজকে ক্রল করার সময়। কিন্তু আপনি যদি টাইটেল ট্যাগ এবং মেটা ঠিকভাবে না বসিয়ে থাকেন তাহলে বিশাল ভূলের মধ্যে রয়েছেন। যা সার্চ বটকে আপনার কন্টেন্ট সম্পর্কে সঠিক তথ্য দিবে না।

আরও একটি কমন ভূল আমি অনেক লোকদেরই করতে দেখেছি আর সেটি হল ইমেজ ট্যাগগুলো ব্যবহার না করা। কিন্তু সার্চ বটের কাছে ইমেজ ট্যাগগুলিও খুবই গুরুত্বপূর্ন। ঠিকমত ইমেজ ট্যাগ, টাইটেল ট্যাগ ও মেটা ব্যবহার করলে আপনার কন্টেন্টটি আসলে কি বোঝাচ্ছে বা কাদের এটি জন্য উপকারী হবে সার্চ বট এটি সহজেই বুঝতে পারবে। এতে করে আপনার সাইটের র‍্যাংকিং এ ভালো প্রভাব পড়বে। আর  টাইটেল ট্যাগ গুলি বুঝে শুনে বসাবেন। শুধু টাইটেলে কিওয়ার্ড থাকলেই টাইটেল ট্যাগ বসিয়ে দিবেন না। বুঝে শুনে যেখানে দরকার শুধু সেখানেই ব্যবহার করবেন।

 

মিসটেক নং ৬- সাইটকে মোবাইল ফ্রেন্ডলি করার দিকে মনোনিবেশ না করা

 

Making Mobile Friendly Site

 

আপনার ওয়েবসাইটকে ভালোভাবে এসইও করার পরও কি আশানুরূপ ফল পাচ্ছেন না? তাহলে, হয়তো আপনিও এই একই ভূল করেছেন। মনে রাখতে হবে সাইটের বেশির ভাগ অডিয়েন্সই আসে মোবাইল থেকে। ধীরে ধীরে এই সংখ্যা আরও বাড়বে। তাই আপনি যদি আপনার সাইটকে এখনো মোবাইল ফ্রেন্ডলি না করে থাকেন তাহলে সার্চ রেজাল্টে এর প্রভাব পড়বে।

জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগোলসহ প্রত্যেক সার্চ ইঞ্জিনই বলে সাইটকে মোবাইল ফ্রেন্ডলি করার জন্য। গুগোল তো এরই মধ্যে এটা নিয়েই একটি আপডেটও প্রকাশ করেছে। তাই, আপনার সাইট সার্চ ইঞ্জিনের টপ রেজাল্টে নিয়ে আসার জন্য অবশ্যই একে মোবাইল ফ্রেন্ডলি হতে হবে এবং একই সাথে সাইটের লোডিং স্পিডও ভালো হতে হবে। নতুবা, আপনার অন্য কোন টেকনিক কাজে আসবে না।

 

মিসটেক নং ৭- শুধুমাত্র বেশী ভিজিটর পাবার টার্গেট করা

 

 

হ্যা, ঠিকই পড়েছেন। অনেকেই এসইও করার উদ্দেশ্য শুধু বেশী ভিজিটর আনতে পারাকেই মনে করে থাকেন। কিন্তু, এটি একটি ভ্রান্ত ধারনা। সাইটে ভিজিটর আসার দরকার তো অবশ্যই দরকার আছে। কিন্তু তার মানে এই না যে এটিই এসইও এর একমাত্র লক্ষ্য শুধু ভিজিটর বাড়ানো। বরং একই সাথে আপনাকে এটিও মাথায় রাখতে হবে যে কত পার্সেন্ট ভিজিটর কনভার্শন হচ্ছে।

আপনি যদি কোন পন্য বিক্রি করে থাকেন, আপনার সাইটে আসা কত পার্সেন্ট ভিজিটর আপনার পন্যটি কিনছে? আপনি যদি কোন সার্ভিস প্রদান করে থাকেন কত পার্সেন্ট ভিজিটর আপনার থেকে সার্ভিস নিচ্ছে? ধরুন, আপনার ওয়েবসাইটে ১০০ জন ভিজিটর আসে প্রতি মাসে কিন্তু সেখান থেকে আপনার কাস্টমারে পরিনত হয় ২ জন। অন্যদিকে, আপনার বন্ধুর সাইটে প্রতি মাসে ৫০ জন ভিজিটর আসে যার মধ্যে ৫ জনই কাস্টমারে পরিনত হয়। এখানে কে বেশী লাভবান হবে?অবশ্যই, আপনার বন্ধু। তো শুধু সাইটে ভিজিটরের কথা চিন্তা করে ইরিলিভেন্ট কিওয়ার্ড এ রেঙ্ক করলেই হবে না, তাদের থেকে কেমন কনভার্শন হচ্ছে সেটিও ভাবতে হবে। এক্ষেত্রে ব্যাপারগুলি ট্র্যাক করতে Google Analytics, Google Search Console ছাড়াও আরও অনেক পেইড টুলস আপনাকে সহায়তা করতে পারে।

 

আমরা একদম শেষভাগে চলে এসেছি। তো এই ছিল আজকের বিষয় এসইও এর কমন ৭ টি মিসটেক সম্পর্কে। আশা করি, এখন থেকে আপনি এই ভূলগুলো এড়িয়ে চলার চেষ্টা করবেন এবং সঠিক পদ্ধতিতে এসইও করে এর সম্পূর্ন সুবিধা নিবেন।

এই ধরনের আরও গুরুত্বপূর্ন এবং উপকারী বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানতে ক্রিয়েটিভ মার্কেটার্স বাংলাদেশ এর সাথেই থাকুন। এসইও এর ব্যাপারে আরও যদি কিছু জানার থাকে বা আমাদের থেকে এসইও সার্ভিস নিতে চান তাহলে যোগাযোগ করুন।

Testimonial

client Content review
তারা আমাকে কন্টেন্ট গুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কোয়ালিটি বজায় রেখে ডেলিভার করেছে। যেটাতে আমি খুবই সন্তুষ্ট হয়েছি। কেননা বাংলাদেশের অধিকাংশ এজেন্সি কে দিয়ে কন্টেন্ট লেখাতে গেলে সবচেয়ে বড় যে সমস্যাটা হয় তাদের ডেডলাইন ঠিক থাকেনা   আলহামদুলিল্লাহ তাদের সার্ভিস নিয়ে আমি অনেক বেশি সন্তুষ্ট। দোয়া করি তারা অনেক দূর এগিয়ে যাক।
Sezan MahmudContent Writing Service Testimonial ReviewBD

About Our Servoce

We are dedicated to satisfied our client. Like in SEO, We have money back Guarantee SEO service, In Graphics Desing we have unlimited reviews for you until you like that design. In Content Writing service We send content to our client after checking  copyscape premium, grammerly premium, and rewrite content if client is not satisfied with that.

Hello,
Assalamu Alaikum, Welcome!

How Can We Help You