আমরা এখন ওনার কোম্পানির থেকে কয়েকটি প্রোজেক্টের এস,ই,ও সার্ভিস নিচ্ছি । ভবিষ্যতে আমাদের অনেক বড় পরিকল্পনা আছে, অনেকগুলো প্রজেক্ট রান করানোর। বরাবরের মত ওনাদের থেকেই সার্ভিস নিব এবং ভালো সার্ভিস পাবো বলে আশাবাদি। ক্রিয়েটিভ মার্কেটার্স বাংলাদেশ কে অনেক ধন্যবাদ, আমাদের কষ্ট করে কোয়ালিটি লোক খুজে হায়ার করতে হয় না। এখানেই আমরা সব ধরনের ডিজিটাল মার্কেটিং সার্ভিস পেয়ে যাই।
Our clients, in their own words
Nothing on this page was written by us. Every review below was typed out by the client — in Bangla, in their own voice — and is published here unedited, exactly as they sent it. No trimming for length, no polishing, no translation. Read them in full, then judge for yourself.
6 written reviews·Bangla·every one from a named founder or CEO
Six clients, six lines — before you read the long ones
The same six people you will read in full below, each in a single line they wrote themselves. Every full review follows underneath.
তারা আমাকে কন্টেন্ট গুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কোয়ালিটি বজায় রেখে ডেলিভার করেছে। যেটাতে আমি খুবই সন্তুষ্ট হয়েছি। কেননা বাংলাদেশের অধিকাংশ এজেন্সি কে দিয়ে কন্টেন্ট লেখাতে গেলে সবচেয়ে বড় যে সমস্যাটা হয় তাদের ডেডলাইন ঠিক থাকেনা
আলহামদুলিল্লাহ তাদের সার্ভিস নিয়ে আমি অনেক বেশি সন্তুষ্ট। দোয়া করি তারা অনেক দূর এগিয়ে যাক।
আমার টার্গেটেড কিওয়ার্ডগুলো র্যাঙ্কে আসার পরে, হাবিব ভাই রিসার্চ করে জানান আমার ব্যবসাতে আমি আরো কোন কোন নতুন কিওয়ার্ড নিয়ে কাজ করলে ভবিষ্যতে অনেক বেশি ট্রাফিক পাব এবং সেই ট্রাফিক থেকে আমার ভালো সেল আসবে, আমার কম্পিটিটর কোন কোন কিওয়ার্ড এ অ্যাড রান করছে, তারা কোন কোন কিওয়ার্ড থেকে বেশি ট্রাফিক পাচ্ছে এই জিনিসগুলো। আমাকে একটা সুন্দর প্ল্যান দেন যেটা নিয়ে আমার এখন ভবিষ্যতে অনেক দূর পর্যন্ত কাজ করার ইচ্ছা আছে ইনশাআল্লাহ। সর্বোপরি, আমি খুবই খুশি এবং সন্তুষ্ট ক্রিয়েটিভ মার্কেটার্স বাংলাদেশ এর সার্ভিস নিয়ে।
সত্যি কথা বলতে, যতদিন বাচব ইন-শা-আল্লাহ উনারা যদি সার্ভিস অ্যাভাইলাভেল রাখেন তাহলে উনাদের সার্ভিস নিয়ে যাব ইনশাআল্লাহ্ এবং আমার পরিচিত যারা আছে তাদের হাইলি রিকমেন্ড করবো।
উনাদের মতো প্রফেশনাল এবং ভালো কোয়ালিটির সার্ভিস প্রোভাইডার আমি খুব কমই দেখেছি। বাংলাদেশে সাধারনত এমনটা পাওয়াই যায় না।
আলহামদুলিল্লাহ আমি ক্রিয়েটিভ মার্কেটার্স বিডি এর সার্ভিস নিয়ে সন্তুষ্ট। নিয়ত করেছি এই অ্যাডসেন্স সাইটের জন্য উনাদের থেকে সার্ভিস নিয়ে সাইট টা আরও আরও অনেক বড় করব ইনশাআল্লাহ্।
মাঝে মাঝে হাবিব ভাইকে মজা করে বলি, ভাই আমারে কি-ওয়ার্ড রিসার্চটা সেখান, আর এস,ই,ও টাও সেখান।
Every review, start to finish
Each card holds one client’s complete review, in the Bangla they wrote it in. The longest ones start folded so the page stays readable — open one and you get the whole thing, every paragraph, nothing cut.

Md. Badhon
Founder & CEO of multiple sites
আমি মোঃ বাধন। ক্রিয়েটিভ মার্কেটার্স বাংলাদেশ এর মোঃ হাবিব ভাই এর সাথে আমার পরিচয়, আমাদের অফিস থেকে। ২০১৯ সালের মাঝামাঝি অথবা শেষের দিকে আমরা আমাদের অফিস এর জন্য এসইও এক্সপার্ট খুজছিলাম। বিডি জবস,ফেসবুক বিভিন্ন জায়গায় পোস্ট করি জব টা। তো উনি ইন্টারভিউ দিতে আসেন।উনার ইন্টারভিউ আমাদের খুবই পছন্দ হয়। কিন্ত সমস্য ছিল উনি ইন্ডিয়া যাবেন তখন। এসে জয়েন করতে পারবেন। তো আমরা বললাম আচ্ছে ঠিক আছে,যদি আমাদের স্লট খালি থাকে তখন জয়েন করতে পারবেন ইনশাআল্লাহ্।
তো উনি ইন্ডিয়া থেকে এসে আমাদের কল করে , যদিও আমরা একজনকে নিয়েছিলাম,কিন্ত তার ইন্টারভিউ ভালো লেগেছিল বিধায় আমরা উনাকে আসতে বলি। আর আমাদের অনেকগুলো প্রজেক্ট থাকাতে আমরা ২টা টিম করে দেই। একটা টিম এ তার সাথে আরেকজন ডেভেলপার। আমাদের ডেভেলপমেন্ট এর কাজ কম থাকতো তাকে আমরা এস,ই,ও টিম এ দিয়ে দেই যদিও তার এসইও এর কোন পুর্ববর্তী জ্ঞান ছিল না। আর অন্য টিমে আরেকজনের সাথে অফিসের পুরোনো একজন।
তো হাবিব ভাই সম্ভবত মাসের শেষের সপ্তাহতে জয়েন করেন। আমরা তাকে একদম নতুন একটি সাইটের দায়িত্ব দেই। উনি কিওয়ার্ড রিসার্চ করে বললেন কন্টেন্ট লাগবে অনেক। তাই উনাকেই দায়িত্ব দিলাম কন্টেন্ট রাইটার এর। পরে উনি কন্টেন্ট রেডি করে সাইটে আপডেট করলেন আর আমাদের বললেন ৩ মাসের মত সময় লাগবে র্যাঙ্ক এ আসতে।
কিন্ত মাত্র ১.৫-২ মাসের মধ্যেই উনি আমাদের টার্গেট কিওয়ার্ড একটা প্রথম পেজে নিয়ে আসেন,শুধু তাই নয় উনার সাথে যাকে দিইয়েছিলাম তাকেও ব্যকিলিংক রিলেটেড অনেক কিছু শিখিয়ে নিয়েছে। আর উনি অই মাসের আমাদের বেষ্ট ইমপ্লয়ি অ্যাওয়ার্ড পেলেন। অন্যদিকে আমাদের অন্য টীমের পারফমেন্স আশানুরুপ না হওয়াতে আমরা ২টা টিমের সকল প্রজেক্ট এর দায়িত্ব উনাকে দিলাম তো এরপর আমাদের কাজ ভালই চলছিল।
তার কিছুদিন পর উনি জানালেন আমাদের কিছু প্রজেক্ট আছে যেগুলো ইসলামিক ভাবে করা উচিত নয় বলে উনি জানতে পেরেছেন। তখন আমরা উনাকে বলি, আচ্ছা আপনার করার প্রয়োজন নেই,আপনি আপনার টিম মেম্বারদের দিয়ে করান।
উনি,তাতেও অস্বীকৃতি জানান। এরপর আমরা উনাকে ইন্টারভিউ নিয়ে ভাল একজনকে হায়ার করে দিতে বলি। উনার ইন্টারভিউ স্কিল দেখে আমরা আরও বুঝতে পারি যে উনি কতটা দক্ষ লোক ছিলেন। এটা এজন্য বলছি, সার্কুলার দিলে আমাদের দেশে সিভি অনেক জমা পরে, লোকও অনেক ইন্টারভিও দিতে আসেন কিন্ত যোগ্য লোক পাওয়া খুবই মুশকিল ।
তো যাই হোক উনি অনেকের ইন্টারভিও নিলেন, উনার রিটেন এক্সামে ৪০ এর মধ্যে সম্ভবত দুই থেকে তিনজন 25 থেকে 30 এর মধ্যে নাম্বার পেয়েছেন । আর অধিকাংশ ই 10 এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল।
উনি যখন চলে যান তখন ওনার সাথে আমি যোগাযোগ রাখি এবং পরে জানতে পারি উনি ক্রিয়েটিভ মার্কেটার্স বাংলাদেশ নামে একটি নতুন কম্পানি খুলেছেন যার উদ্দেশ্য হচ্ছে উনি যেন শুধুমাত্র হালাল প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করতে পারেন ।
এরপর আমি পরবর্তীতে ব্যাক্তিগত ভাবে ওনার সাথে যোগাযোগ রাখি কিছু প্রজেক্ট এর ব্যাপার নিয়ে। তো আমাদের প্রজেক্টগুলো উনি প্রথমে যাচাই-বাছাই করে দেখেন যেগুলো হালাল প্রজেক্ট আছে সেগুলোতে কাজ করেন।
আমরা এখন ওনার কোম্পানির থেকে কয়েকটি প্রোজেক্টের সার্ভিস নিচ্ছি । ভবিষ্যতে আমাদের অনেক বড় পরিকল্পনা আছে, অনেকগুলো প্রজেক্ট রান করানোর। বরাবরের মত ওনাদের থেকেই সার্ভিস নিব এবং ভালো সার্ভিস পাবো বলে আশাবাদি। ক্রিয়েটিভ মার্কেটার্স বাংলাদেশ কে ধন্যবাদ আমাদের কষ্ট করে কোয়ালিটি লোক খুজে হায়ার করতে হয় না। এখানেই আমরা সব ধরনের ডিজিটাল মার্কেটিং সার্ভিস পেয়ে যাই।

Md. Nasrullah Nash
Founder & CEO, Rents.com.bd
হ্যালো আমি মোঃ নাসরুল্লাহ ন্যাশ। আমি Rents সাইটের ফাউন্ডার এবং সি,ই,ও। আমি বিপ্রপার্টি কোম্পানিতে জব করছি দীর্ঘদিন। এখন মানুষের Rents বিষয়ক সমস্যার সমাধান দিয়ে থাকি। যেমন অ্যাপার্টমেন্ট,অফিস, বাসা, এবং ফ্লাট বিক্রয় সাহায্য করে থাকি মূলত গুলশান বনানী বারিধারা এই এরিয়া গুলোতে।
তো হাবিব ভাইয়ের সাথে আমার পরিচয় আসলে আমার এক পরিচিত কন্টেন্ট রাইটার ইমরান ভাইয়ের রেফারেলের মাধ্যমে। ইমরান ভাই আমাকে বলে যে হাবিব ভাইয়ের ক্রিয়েটিভ মার্কেটার্স বিডি এর থেকে যদি আমি সার্ভিসটা নেই তাহলে আমি কোয়ালিটি সার্ভিস পাব।
তারপর আমি হাবিব ভাইয়ের সাথে যোগাযোগ করি। কিন্তু উনাদের এই মাসিক 200 ডলার প্যাকেজ টা আমার কাছে একটু বেশি মনে হচ্ছিল।
এই জন্য আসলে আমি সস্তায় একজন এসইও এর লোককে হায়ার করি। সেই লোক সুন্দরভাবে আমার সাইটের কাজের ডেডলাইন দেয় এবং আমার কাজটা কিভাবে করবে সে প্ল্যান আমাকে জানান। তো মোটামুটি প্রাইস কম হওয়ার জন্য আসলে আমি ভেবেছিলাম আমার কাজও হলো আবার খরচটাও কম লাগবে।
কিন্তু কয়েক মাস পরে আমি আসলে দেখলাম আমার সাইটের ট্রাফিক আগে যেমন ছিল তেমনি আছে। খুব বেশি সাইটের কোন উন্নতি হয়নি।
এরপর আমি আবার হাবিব ভাইয়ের সাথে যোগাযোগ করি। আমার মোটামুটি ওনার কথা শুনে আস্থা পেয়েছিলাম যে ভালো কোয়ালিটির সার্ভিস পাব। তো ভাবলাম টাকা কিছু বেশি লাগলেও আসলে আমার ভালোভাবে চেষ্টা করে দেখা উচিত।
তখন উনাকে আমার যতগুলো টার্গেটেড কিওয়ার্ড ছিল সবগুলো উনাকে দিলাম। উনি তখন আমাকে বললেন আমার সাইটের জন্য কন্টেন্ট প্রয়োজন। আমি কন্টেন্ট আমার পরিচিত সেই ইমরান ভাইয়ের কাছ থেকে নিয়ে ওনাকে দিলাম।
আমার সাইটের তখনকার যে কন্ডিশন ছিল আমাকে ইমেজ স্ক্রীনশট আকারে দিলেন। তো তিন মাস পরে উনি আমার যতগুলো টার্গেটেড কিওয়ার্ড ছিল সবগুলো কিওয়ার্ড কে প্রথম পেজে নিয়ে আসেন আলহামদুলিল্লাহ।
অর্থাৎ আমার প্রত্যাশার চাইতেও আমি অনেক ভালো সার্ভিস পেয়েছি এবং আমি অনেক সন্তুষ্ট হয়েছি আমার কী ওয়ার্ড গুলোর রেংকিং দেখে।
তখন আমি আসলে বুঝতে পেরেছিলাম যে, সস্তা সার্ভিস খুজতে গিয়ে যেই টাকা ও সময় আমি ব্যয় করেছিলাম তা সবটাই বৃথা ছিল । সেই টাকাটা আমি আরো আগে হাবিব ভাইয়ের ক্রিয়েটিভ মার্কেট বিডি থেকে এস,ই,ও সার্ভিস নিলে আরো ভাল বা বেটার সার্ভিস পেতাম।
আমার টার্গেটেড কিওয়ার্ডগুলো র্যাঙ্কে আসার পরে, হাবিব ভাই রিসার্চ করে জানান আমার ব্যবসাতে আমি আরো কোন কোন নতুন কিওয়ার্ড নিয়ে কাজ করলে ভবিষ্যতে অনেক বেশি ট্রাফিক পাব এবং সেই ট্রাফিক থেকে আমার ভালো সেল আসবে, আমার কম্পিটিটর কোন কোন কিওয়ার্ড এ অ্যাড রান করছে, তারা কোন কোন কিওয়ার্ড থেকে বেশি ট্রাফিক পাচ্ছে এই জিনিসগুলো। আমাকে একটা সুন্দর প্ল্যান দেন যেটা নিয়ে আমার এখন ভবিষ্যতে অনেক দূর পর্যন্ত কাজ করার ইচ্ছা আছে ইনশাআল্লাহ।
সর্বোপরি, আমি খুবই খুশি এবং সন্তুষ্ট ক্রিয়েটিভ মার্কেটার্স বাংলাদেশ এর সার্ভিস নিয়ে।

Md. Sezan Mahmud
CEO, Clipping Path House
আমি মোঃ সেজান মাহমুদ। আমি ক্লিপিং পাথ হাউস কোম্পানির ফাউন্ডার। ক্রিয়েটিভ মার্কেটার্স বাংলাদেশ এর সাথে আমার পরিচয় 2020 সালে। আমি প্রথমে ক্রিয়েটিভ মার্কেটার্স বিডি থেকে আমার কোম্পানির গেস্ট পোষ্টের জন্য কন্টেন্ট নিয়েছিলাম। মূলত আমার কন্টেন্ট এর রিকোয়ারমেন্ট ছিল একি কিওয়ার্ড এর উপরে ভিন্ন ভিন্ন রাইটারকে দিয়ে কনটেন্ট লেখানো।
ইন্ডিভিজুয়াল এতজন রাইটার কে একসাথে হায়ার করে কাজ বুঝিয়ে দেয়া আমার জন্য অনেক কষ্টকর ছিল। তাই ক্রিয়েটিভ মার্কেট বিডি এক্ষেত্রে আমার জন্য অনেক সহজ অপশন ছিল।
আমি ক্রিয়েটিভ মার্কেটার্স বিডি এর অনার এবং ফাউন্ডার হাবিব ভাই কে 5 থেকে 7 জন ভিন্ন ভিন্ন রাইটার কে দিয়ে সেম টপিকে কনটেন্টগুলো লিখাতে বলেছিলাম। তারা আমাকে কন্টেন্ট গুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কোয়ালিটি বজায় রেখে ডেলিভার করেছে। যেটাতে আমি খুবই সন্তুষ্ট হয়েছি। কেননা বাংলাদেশের অধিকাংশ এজেন্সি কে দিয়ে কন্টেন্ট লেখাতে গেলে সবচেয়ে বড় যে সমস্যাটা হয় তাদের ডেডলাইন ঠিক থাকেনা। আবার ইন্ডিভিজুয়াল রাইটার কে একসাথে হায়ার করে তাদের লেখা আলাদা আলাদা ভাবে চেক করা ডিফিকাল্ট ও সময়সাপেক্ষ ব্যাপার।
আমি আরো বেশি সন্তুষ্ট এইজন্য যে তাদের দেয়া কনটেন্টগুলো দিয়ে যখন আমরা গেস্ট পোস্ট করি তখন আমাদের গেস্ট পোস্টগুলো খুব সুন্দরভাবেই পারফর্ম করে এবং গেস্ট পোস্টগুলো পাবলিশ করার পরে আমাদের সাইট ইউএসএ থেকে গুগলের প্রথম পেজে ভালো পজিশনে চলে আসে।
এরপর থেকে যখনই কন্টেন্টের প্রয়োজন হয়েছে আমি ক্রিয়েটিভ মার্কেট বাংলাদেশ থেকেই কনটেন্ট নিয়েছি।
আরো একটা ব্যাপার যেটা আসলে না বললেই নয় ক্রিয়েটিভ মার্কেটার্স থেকে যখন আমি কনটেন্ট নেই ওই সময়ে বাংলাদেশে প্রথম প্যানডেমিক করোনাভাইরাস আসে। যাতে করে আমার অধিকাংশ পেমেন্ট গুলো আটকে যায় ক্লায়েন্টরা অধিকাংশ বিদেশ থেকে কিছুদিনের জন্য বিরতি দেয়। তখন আমি আসলে দুই থেকে তিন মাসের সময় চাই আমার অনেকগুলো কনটেন্টের পেমেন্ট আটকে গিয়েছিল। হাবিব ভাই আমাকে পরে পেমেন্ট করার সেই সুযোগটা দেয় এবং আমার উপর বিশ্বাস ও আস্থা রাখে। ঠিক তিন মাস পরে আমি তার আর্টিকেলগুলোর পেমেন্ট করে দেই এবং আলহামদুলিল্লাহ তাদের সার্ভিস নিয়ে আমি অনেক বেশি সন্তুষ্ট। দোয়া করি তারা অনেক দূর এগিয়ে যাক।

Md. Imran Fahim
Founder & CEO, Trimatrik Multimedia
আমি মোঃ ইমরান ফাহিম. আমি ত্রিমাত্রিক মাল্টিমিডিয়া এর ফাউন্ডার এবং সিইও। আমার ওয়েবসাইট ইলেকট্রনিক্স প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করে। ক্রিয়েটিভ মার্কেট বিডি এর সাথে আমার পরিচয় বলতে মূলত এর ফাউন্ডার মোহাম্মদ হাবিব ভাইয়ের সাথে আমার ফেসবুক থেকে পরিচয়। প্রথমে আমি ওনার কোয়ালিটি টেস্ট করার উদ্দেশ্যে আমার একটা ওয়েবসাইট আহুজা বিডি এর জন্য সার্ভিস নিই।
প্রথমত, যখন আমার টার্গেট কিওয়ার্ডগুলো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সুন্দর ভাবে র্যাঙ্কে নিয়ে এসে তখন আমি আসলে বুঝতে পারি যে হ্যাঁ ওনাদের দিলে আমি কোয়ালিটি সার্ভিস পাব আসলে ইনশাল্লাহ। এরপরে আমি ওনাকে আমার আরো যে ওয়েবসাইট গুলো আছে পর্যায়ক্রমে zktecobangladesh.info , ক্যারি ব্যাগ বিডি ও ত্রিমাত্রিক বিডি এর টার্গেটেড কিওয়ার্ড গুলোতে রেঙ্ক এর জন্য কাজ দেই।
আলহামদুলিল্লাহ উনি আমার zkteco বাংলাদেশ সাইটের অধিকাংশ টার্গেটেড কিওয়ার্ডগুলো কে গুগলের প্রথম পেজে নিয়ে আসে অল্পকিছুদিন সময়ের মধ্যে। এরপরে উনি আমার ক্যারি ব্যাগ বিডি সাইটের ২টা টার্গেটেড কিওয়ার্ড ছিল সেগুলো কেউ গুগলের টপ পজিশনে এ নিয়ে আসেন।
এরপর ত্রিমাত্রিক বিডি সাইটের অনেকগুলো কিওয়ার্ড নিয়ে উনি আসলে কাজ শুরু করেন কিন্তু আমার বাজেট উনাদের পেমেন্ট এর সাথে আসলে সেভাবে ম্যাচ হচ্ছিল না। আমি আসলে ওনাদের বাজেটের থেকে কিছু কম এ কাজগুলো শুরু করতে চাই। আমার অনেক জোরাজুরিতে উনি কাজগুলো শুরু করেন কিন্তু পরবর্তীতে উনি জানান এত কম পেমেন্ট এ আসলে ওনাদের জন্য কাজ করা কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে।
এরপরে আমরা পরামর্শ সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নেই যে যখন আমি উনাদের বাজেট অনুসারে আমার কাজগুলো করাতে পারবো তখন পুনরায় উনাদের কাছ থেকে সার্ভিস নিব ইনশাল্লাহ।
তবে সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে ওনারা আমার একটা সাইটের দুইটা কিওয়ার্ড এর উপর কাজ করে সেগুলো প্রথম পেজে এবং দ্বিতীয় পেজে এনেছিল কিন্তু টপ পজিশনে আনতে পারেনি। ওনারা বলেছিলেন আরো বাজেট প্রয়োজন এগুলোকে টপ রেজাল্টে নিয়ে আসতে। পরে আমার আর বাজেট না থাকায় উনারা এই দুইটা কিওয়ার্ড রাঙ্ক এর জন্য আমার কাছ থেকে যে টাকা নিয়েছিলেন তা আমাকে রিফান্ড করে দেন।
উনাদের মতো প্রফেশনাল এবং ভালো কোয়ালিটির সার্ভিস প্রোভাইডার আমি খুব কমই দেখেছি। বাংলাদেশে সাধারনত এমনটা পাওয়া যায় না। যদি আমার বাজেট আবার বৃদ্ধি করতে পারি তাহলে অবশ্যই ওনাদের থেকে পুনরায় সার্ভিস নিব ইনশাআল্লাহ।

Nur Mohammad Sohel
Founder of an AdSense site
আমি নূর মোহাম্মদ সোহেল।আমি পেশায় একজন অ্যাডসেন্স এক্সপার্ট। এডসেন্স নিয়ে কাজ করছি দীর্ঘদিন। ক্রিয়েটিভ মার্কেটার্স এর হাবিব ভাই এর সাথে আমার পরিচয় ২০২০ সালের শুরুর দিকে ফেসবুক থেকে।
তো আমি ২টা অ্যাডসেন্স প্রজেক্ট শুরু করব ভাবছিলাম, একটা লোকাল মানে বাংলাদেশ এ জব,রেসাল্ট এইসব বিষয়ক আর অন্যটি ইন্টারন্যাশনাল।
তো ইন্টারন্যশনাল প্রজেক্টটি কি বিষয়ক শুরু করা যায় সেটা নিয়ে ভাবছিলাম, তখন হাবিব ভাই এর সাথে আলোচনা করি। উনি আমাকে টেক নিশে সাইট করার পরামর্শ দেন।
তো উনাদের বাজেট ২০০$/মান্থ। আমি আসলে এর থেকে কমে বাংলাদেশি সাইট টা করতে চাচ্ছিলাম। উনাদের কোয়ালিটি ভাল উনার সাথে কথা বলেই বুঝতে পেরেছিলাম। কিন্ত ২টা প্রজেক্ট এর বাজেট আমার কাছে বেশি হয়ে যায়, তাই ফেসবুক থেকে বিক্রয় এ কাজ করে এমন একজনকে মাসে ৮হাজার টাকা/মান্থ হায়ার করলাম। আরও সস্তাতেও পেয়েছিলাম , কিন্ত ভাবলাম বিক্রয় এ যব করে যেহেতু, তাই হয়ত ভালো কিছুই পাব ইনশাআল্লাহ্।
তো আল্লাহ এর নাম নিয়ে ২টা সাইট শুরু করলাম আলহামদুলিল্লাহ। সাইটের গুলোর লোগো হাবিব ভাই এর ডিজাইনার দিয়ে করাই, আমার মন মত। উনাদের লোগোর বাজেট সস্তাই বলা চলে।
এরপর বিক্রয়ের সে ভাই আমাকে কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করে দেন কন্টেন্ট এর জন্য। আমি বাংলাদেশি সাইটে কন্টেন্ট দিতে থাকি। ক্রিয়েটিভ মার্কেটার্স এ ভালো কোয়ালিটির কন্টেন্ট পাওয়াতে আমি ক্রিয়েটিভ মার্কেটার্স বিডি থেকেই কন্টেন্ট রাইটিং সার্ভিস নেই, এবং সে ভাই আর্টিকেল পাব্লিশ করতে থাকেন সাইটে।
এদিকে হাবিব ভাইদের কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করতে প্রায় ১মাস সময় লেগে যায়, তারপর কন্টেন্ট লিখানো শুরু করি। তো মার্চ মাসের শেষের দিকে কন্টেন্ট পাব্লিশ শুরু করি ও সাইট লাইভ করি,আলাহামদুলিল্লা। এর মাঝে দেশে করোনা ভাইরাস এর প্রকোপ শুরু হয়, আর নতুন কিছু অফলাইন ব্যাবসাতে ধস নামতে শুরু করে। তবে হাবিব ভাইকে অনেক ধন্যবাদ, আমাকে বিশ্বাস করার জন্য। কন্টেন্ট এর পেমেন্টগুলো আমি কিছুদিন পরে একসাথে দিয়েছিলাম।
তো সাইটের আর্টিকেল পাব্লিশ করার পরে এপ্রিল থেকেই আমার টেক নিশের সাইটে ট্রাফিক আসতে শুরু করে আলহামদুলিল্লাহ। যদিও উনারা আমাকে যে প্লান দিয়েছিলেন তাতে বলা ছিল, ৩মাস পর সাইটে ট্রাফিক আসা শুরু হবে, আর ৬মাস পর থেকে সাইটে ট্রাফিক বাড়তে থাকবে ইনশাআল্লাহ্। উনারা এভাবেই উনাদের এস,ই,ও এর প্ল্যান সাজিয়েছেন। মানে তারা আসলে সময় হাতে রাখে, যদিও তাদের সময়ের অনেক আগেই আমি রেজাল্ট পেয়ে গিয়েছি।
যাই হোক ২-৩মাস পরেই সাইটের ট্রাফিক ১হাজারে গিয়ে পৌছালো , আলহামদুলিল্লাহ। তখন আসলে সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছিলাম এই প্রজেক্টে মনে হচ্ছিল। এরপরের মাসেই ট্রাফিক ১হাজার থেকে ৩হাজার হয়ে গেল। আরও খুশি হলাম।
ঠিক তার পরের মাসে ট্রাফিক ৩হাজার থেকে ৮হাজারে পৌছে গেল,আলহামদুলিল্লাহ। তখন ই গুগল অ্যাডসেন্স এ এপ্লাই করলাম, এপ্রুভাল পেতে একটু ঝামেলা হয়েছিল। পরে এক্সপার্ট একজনকে হায়ার করে এপ্লাই করি আর এপ্রুভাল নেই সম্ভবত সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে।
এরপর থেকে আলহামদুলিল্লাহ সাইটের ট্রাফিক বাড়তে বাড়তে ৩৩-৩৫ হাজারে (সার্চ কন্সোল ও অ্যানালিটিক্স অনুসারে) এসে ঠেকেছে। যার ৮৫% ই হচ্ছে ইউ,এস,এর ট্র্যাফিক,আলহামদুলিল্লাহ।
ও হ্যা আমার সেই বাংলাদেশি সাইটের কথা শেয়ার করতে তো ভুলেই গেছি। আমার সেই সাইটের এখন পর্যন্ত কোন ট্রাফিক ই নাই। প্রথম ৫-৬ মাস আমি বিক্রয় এর তাকে দিয়ে এস,ই,ও করানোর পরে কোন উন্নতি না দেখে তাকে সার্ভিস স্টপ করতে বলি।
পরে হাবিব ভাইকে চেক করতে দিলে, উনি দেখে বলেন, যে কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করা হয়েছে তার কোন সার্চ ভলিওম নাই।
আমার প্রায় ৭০হাজার ওয়ার্ড এর কন্টেন্ট হোষ্ট করেছলাম সেই সাইটে,পুরো টাকাটাই জলে । সাইট টা এখনো লাইভ আছে বাট ট্র্যাফিক নাই।
আসলে এখন বুঝতেছি কোয়ালিটি অবশ্যই ম্যাটার করে। সস্তা বা অল্প টাকায় সার্ভিস পেয়ে খুশি হয়েছিলাম,কিন্ত বাস্তবতে কি হল? আমার পুরো সাইটের কন্টেন্ট, ডেভেলপমেন্ট , এস,ই,ও মোদ্দা কথা ইনভেস্টমেন্ট পুরোটাই বৃথা।
এখন আফসোস লাগে, তখন যদি এই সাইট টাও উনাদের থেকে সার্ভিস নিতাম, ৬মাসের জায়গায় যদি ৩মাস ও নিতাম তাতেও হয়ত এখন কিছু ট্র্যাফিক থাকত। আর আমার ২টা আডসেন্স সাইটের আর্নিং থাকত এখন।
তাই আমি বলব, আলহামদুলিল্লাহ আমি ক্রিয়েটিভ মার্কেটার্স বিডি এর সার্ভিস নিয়ে সন্তুষ্ট। নিয়ত করেছি এই অ্যাডসেন্স সাইটের জন্য উনাদের থেকে সার্ভিস নিয়ে সাইট টা আরও আরও অনেক বড় করব ইনশাআল্লাহ্ । মান্থলি ট্র্যাফিক যত বৃদ্ধি করতে পারি, করতে থাকব ইনশাআল্লাহ্।
মাঝে মাঝে হাবিব ভাইকে মজা করে বলি, ভাই আমারে কি-ওয়ার্ড রিসার্চটা সেখান, আর এস,ই,ও টা সেখান।

Rakib Ahmed
Founder of an AdSense site
আমি রাকিব আহমেদ । ২০২০সালের শুরুর দিকে একটা জিনিস জানার জন্য একটা গ্রুপে যেন পোষ্ট করেছিলাম, এরপর একজন আমাকে ক্রিয়েটিভ মার্কেটার্স এর ফাউন্ডার হাবিব ভাই এর আইডি লিংক দিল,বলল এই লোক আপনাকে সাহায্য করতে পারেন ইনশা-আল্লাহ।
এরপর আমি তাকে নক দেই এবং আমার সমস্যার কথা জানাই। আমি একটা এক্সপায়ার ডোমেইন কিনেছিলাম অনেক দামে, এটা নিয়ে আসলে সাইট শুরু করা যায় কিনা।
তারপর, উনি এটা চেক করলেন এবং জানালেন যে ভাই আসলে এটা নিয়ে যদি সাইট শুরু করেন আসলে তেমন ভালো হবে না এর ডোমেইন হিস্টরি ভালো ছিল না। আবার ডোমেইন নেম টা এমন ছিল যেটা আসলে কোন নিশ এর সাথে আসলে ওভাবে যায় না।ওটা নিয়ে আমি আসলে একটা স্পোর্টস শুরু করতে চাইছিলাম। স্পোর্টস সাইটে আসলে আমাদের উদ্দেশ্য ছিল লাইভ খেলা দেখিয়ে যে ইনকাম করা যায় সেভাবে ইনকাম করা । হাবিব ভাই যেহেতু ইসলামিক মাইন্ডের ছিলেন উনি আমাকে পরামর্শ দিলেন এরকম সাইট করলে আমার ইনকাম বা আয় হালাল হবে না।
তো আমি বিষয়টা নিয়ে গভীরভাবে ভাবলাম তারপরে দেখলাম ঠিকই তো বলছেন, বাচব কয়দিন। এইজন্য তখন আমি আর এই সাইটের জন্য আগাই নি তবে আমার পার্টনার যারা ছিল তারা এই ধরনের নিশ নিয়ে এগিয়েছিল ।
যাইহোক, তখন আমি ভাবতে থাকি কিভাবে আসলে একটা সাইট করা যায়, যেটা থেকে আমার হালাল ভাবে সাইড ইনকামের একটা ব্যবস্থা হবে। তখন আমি হাবিব ভাইকে জিজ্ঞাসা করি ,যে ভাই আমি আসলে কোন নিশে সাইট তৈরি করতে পারি? তো হাবিব ভাই আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন ভাই আপনার আসলে কোন নিশ টা পছন্দ বা আগ্রহ বেশি। তখন আমি ওনাকে বললাম যে ভাই আসলে আমার ট্রাভেলিং খুব ভালো লাগে, তো ট্রাভেল নিস একটা সাইট শুরু করতে পারি কিনা?
তখন হাবিব ভাই আমাকে বলল আচ্ছা আমি আপনাকে ট্রাভেল নিশটা এনালাইসিস করে জানাচ্ছি।
এই বিষয়গুলো নিয়ে সম্পূর্ণ ফ্রিতে সুন্দরভাবে সাজেশন দিলেন এবং এর ভিতরে একবারও বলেন নাই যে আপনি আমাদের থেকে সার্ভিস নিন বা আমরা আপনাকে সার্ভিস দিলে ভাল সার্ভিস পাবেন। মানে কোন প্রমোশোনাল টাইপের কোন কথা বার্তা বলেন নাই।
উনি কয়েকদিন এনালাইসিস করলেন, এর পর উনি আমাকে জানালেন ভাই ট্রাভেল নিস অনেক কম্পিটিটিভ। এই নিসে অনেক ট্রাভেল এজেন্সি, ট্রাভেল ব্লগ অলরেডি আছে। সাইক শুরু করলে র্যংক করা যে অসম্ভব তা নয়, কিন্তু এতে যে বাজেট দরকার সেটা অনেক। আর শুরুতে আমার জন্য এধরনের নিষেধ সাইট না করাটাই উত্তম।
তখন বললাম আমার তো ভাইয়া ট্রাভেল নিশ ই পছন্দ ছিল অনেক। উনি তখন আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন এরপর আমার কোন জিনিসটা বেশি পছন্দের?
আমি তখন উনাকে বললাম ভাই ফিসিং কেমন হয় ? মাছ ধরতে ও আমার ভালো লাগতো এটা তো মজা পেতাম.
তখন উনি বললেন যে ভাই তাহলে আমাকে এনালাইসিস করে দেখতে হবে নিশ নিয়ে। এরপর উনি ফিশিং নিশ এনালাইসিস করলেন, এনালাইসিস করে বললেন যে হ্যাঁ ফিশিং নিসে অপরচুনিটি আছে আমরা ইনশাআল্লাহ ফিশিং নিশ নিয়ে একটা সাইট শুরু করতে পারি।
জিজ্ঞাসা করলাম কিভাবে আগাতে পারি। আমাকে বললেন যে কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করতে হবে এর পরে কন্টেন্ট দিতে হবে তারপরে হচ্ছে এস,ই,ও করতে হবে ইনশা-আল্লাহ।
তো তখন আমি আসলে খুব বেশি জানতাম না। তো আমি জিজ্ঞাসা করি সাইটটা কি অ্যাফিলিয়েট সাইট হবে নাকি এডসেন্স টাইপের সাইট হবে কোনটা করলে ভাল হয়?
উনি আমাকে বললেন যে ভাই ইনফরমেটিভ ওয়েবসাইট হলে শুরুতে বেশি ভালো হবে এরপরে এটাকে আমরা চাইলে অ্যাফিলিয়েটে ট্রান্সফার করতে পারব।
এরপর আমি মাত্র 20টা কিওয়ার্ড উনার এজেন্সি থেকে রিসার্চ করাই। কারন শুরুতে আমি নিশ্চিত ছিলাম না যে আসলে সফলতা পাওয়া পসিবল কিনা? তবে ভরসা পাচ্ছিলাম উনার জন্য।
তো এরপর সুন্দর একটা ডোমেইন নেম চয়েজ করি।
কিছু কন্টেন্ট লেখানোর পরে সাইট এর লোগো এবং ওয়েব ডিজাইন করাই। আর সাইটের লোগো এবং ডিজাইন টা খুবই সুন্দর হয়েছিল।
আর হ্যা এইসব কিছুই ওনার কাছেই ছিল। কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে উনি একবারও বলেন নাই , আমার কাছ থেকে সার্ভিস নেন- কিওয়ার্ড রিসার্চ ব্যাতিত। কিওয়ার্ড তো আর সবাই একভাবে রিসার্চ করতে পারেন না।
এরপর যখন যা লাগত উনি বলতেন ভাই এটা দরকার, আপনি খুজে নিয়ে বা পরিচিত থাকলে তাকে দিয়ে করান। কখনো প্রমোশনাল কথা বলতো না ।
যেমন ডেভেলোপার এর জন্য প্রায় ১মাস অপেক্ষা করেছি। খুজেছি কিন্ত তেমন পায় নি, আবার রেট অনেক হাই। যখন আমি খুজে পাচ্ছিলাম না, তখন উনি সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসলেন। আমাকে হেল্প করার উদ্দেশ্যে খুব কম টাকাতেই আমার সাইটের ডিজাইন করে দিলেন।
এরপর উনার খুব অসাধারন একজন রাইটার ভাই ছিলেন তার থেকে কন্টেন্ট নিলাম। যদিও ওনার সব রাইটার ই কোয়ালিটিফুল। কিন্ত তার লেখা আমার খুব ভালো লেগেছিল। আমি অন্য জায়গাতেও রাইটার খুজেছি। উনি আমাকে গ্রুপে গ্রুপে পোষ্ট দিতে বলেছিলেন রাইটার এর জন্য। রাইটার পাইনি তা নয়, কিন্ত কোয়ালিট রাইটার খুব কমই পেয়েছিলাম। যখন আমি উনার দারস্থ হয়েছি, তখনই উনি শুধু আমাকে ওনার রাইটার এর কন্টেন্ট এর ব্যাপারে বলেছেন।
আসলে উনি সবসময় ই বলতেন, ভাল কাউকে খুজে নিতে, যেনে নিতে, আমাকে সার্ভিস দিয়ে উনি অসস্তিবোধ করছেন যে আমাকে উনি কি দিচ্ছেন আমি বুঝতেছি না দেখে। উনি চাইতেন আমি যেন যাচাই বাছাই করে বুঝে নিই। যেটা আমার পার্সোনালি খুবই ভাল লেগেছে।
আর হ্যা, আরেকটা জিনিস বলতে ভুলেই গেছিলাম, এর আগে আমি অনলাইনে একজনের কাছে সাইট বানাতে টাকা দেই, সে আমাকে হাবি-জাবি বুঝিয়ে টাকা নেয় কিন্তু আমাকে সাইট ই দেয় নি।
আমি বুঝতাম না দেখে আমার টাকাগুলো এভাবে মেরে দেয়।
কন্টেন্ট ও কিওয়ার্ড রিসার্চ এর পাশাপাশি, গ্রাফিক্স ডিজাইনার কে দিয়ে উনি লোগো বানিয়ে নেই, উনার ডেভেলপার দিয়ে সাইটের ডিজাইন করাই, মানে উনি হচ্ছেন অল-ইন-ওয়ান সলুশন আল-হামদুলিল্লাহ।
সাইট টা নিয়ে খুব আশাবাদি ছিলাম, শুরুতে ২০টা কন্টেন্ট দেই, যেহেতু আগে ধরা খাইছি তাই দেখতে চেয়েছিলাম ২০টা আর্টিকেল কেমন পারফর্ম করে, যদি ভাল পারফর্ম করে তাহলে আরও কন্টেন্ট যোগ করব ইনশাআল্লাহ্।
কিন্ত দুঃখের বিষয় হল, সাইট টা রান করার কিছুদিন পরেই আমার ফিন্যান্সিয়াল অবস্থার অবনতি হয়, তখন আমি এস,ই,ও এর কাজ স্টপ করতে বলি।
তখন হাবিব ভাই আমার কাছে প্রায় ১০হাজার টাকার মত পেতেন, আমি উনার কাছে সময় চাই, উনি আমাকে সময় তো দিলেন ই, উলটো আরোও ভরসা দিলেন চিন্তা না করতে।
এরপর দীর্ঘদিন আমি আর এগুতে পারিনি। এর মাঝে উনার টাকা টা দিয়ে দেই।
আর মাঝে মাঝে উনার সাথে কথা হত। উনি আমাকে আশা দিতেন হতাশ না হতে এবং আমারও ব্যাবসা ভালো হবে ইনশাআল্লাহ্ সেটাও বলতেন। আর উনার বিভিন্ন সাইটের সফলতা নিয়ে কথা হত। তো তখন তিনি বললেন তাদের টেক নিশের সাইটগুলো ভালো পারফর্ম ও ইনকাম জেনারেট করছে।
এর মধ্যে ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে আমার হাতে ইনভেষ্টমেন্ট আসলে আমি উনাকে জানাই ভাই আমি ইনভেষ্ট করতে চাই।
উনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন কোন সাইটে করতে আগ্রহী। এর মধ্যে আমার ফিশিং সাইটের অনেকগুলো কি-ওয়ার্ড প্রথম পেজে চলে এসেছে ওনার ২মাসের সামান্য এস,ই,ও তে আলাহামদুলিল্লাহ।
তারপরেও দেখলাম টেক নিশের সাইটগুলো অলরেডী সাক্সেস্ফুল , আর ভাই ও পরামর্শ দিলেন টেক নিশে করতে।
তারপর আলহামদুলিল্লাহ ১০০টা কিওয়ার্ড ও কন্টেন্ট এর টার্গেট নিয়ে টেক নিশে সাইট শুরু করলাম আলহামদুলিল্লাহ।
এবং সত্য কথা বলতে প্রত্যাশার চাইতেও অনেক বেশি কিছু পেয়েছি।
আমার সাইটের ২মাসের মধ্যে মাসে ৫-৬ হাজার ট্রাফিক আসতে শুরু করে এবং আমি তখন খালিদ ফারহান ভাই এর গ্রুপে পোষ্ট করি যে এটা কেমন ইম্প্রুভমেন্ট?সবাই শুধু শুভেচ্ছা জানাতে থাকে আর অবাক হতে থাকে,এত দ্রুত এর উন্নতি!
আর ৬মাসের মধ্যে মাসিক ২৫০০০-৩০,০০০ট্রাফিক আসতে শুরু করে। যা আমার জন্য সত্যি অবিশ্বাস ছিল। আমি বিশ্বাস ই করতে পারতে ছিলাম না , যে মাসে ইউ,এস,এ থেকে ৮-১০হাজার ট্রাফিক আসছে আমার সাইটে।
এরপর উনি ই গুগোল অ্যাডসেন্স এ এপ্লাই করে দেন। ও এর মধ্যে আমাকে উনাদের অফিসে যেতে হয়েছে ২বার।
প্রথম বার গিয়েছিলাম পরিচিতির জন্য, আর দ্বিতিও বার আমার ল্যপটপ নিয়ে যেতে বলেছিলেন অ্যাডসেন্স এর আবেদন এর জন্য।
আমি আরও অবাক ও আনন্দিত হয়েছি যে, আমরা অ্যাডসেন্স এ আবেদনের মাত্র ২ঘন্টা পর আমাদের সাইটের আবেদন এপ্রুভ হয়, এবং গুগোল অ্যাড দেখানো শুরু করে।
আমি সত্যি এটা দেখে আবেগ আপ্লুত হয়ে পরেছিলাম। উনাকে যখন ফোন দেই তখন আমার গলা ভিজে গিয়েছিল, বলেছিলাম ভাই অনেক বড় একটা উপকার করেছেন। আল্লাহ আপনাকে অনেকদিন বাচিয়ে রাখুক। উনি আমাকে বললেন মসজিদে-মাদরাসায় বা কিছু গরিব মানুষকে খাবারের ব্যাবস্থা করে দিতে।
আসলে সত্যিকার অর্থে আমার মত মানুষের পক্ষে এগুলো শিখে আয় করা কোনদিন ও সম্ভব ছিল না, আর সরল সোজা দেখে অনেকেই ধোকায় ফেলত।
আর এরকম মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষের স্বপ্ন পূরনের জন্য নাসির উদ্দিন শামিম ভাইদের মাসিক ১৫০০ ডলার এর এস,ই,ও করানোও কোনদিন সম্ভব ছিল না। যেখানে হাবিব ভাই এর মাসিক মাত্র ২০০ ডলার এর এস,ই,ও প্যাকেজ এর মাধ্যমেই আমার স্বপ্ন পূরন হয়েছে, মাত্র কয়েক মাসের ব্যাবধানে আমার ইনভেষ্ট প্রায় ২-৩গুন বৃদ্ধি করে দিলেন আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ,আলহামদুলিল্লাহ।
স্বপ্ন ও ইচ্ছা আছে সারাজীবন এই সাইট টাকে যত বড় করতে পারি ইন-শা-আল্লাহ করতে থাকব। আর সামনে আমার ফিসিং নিশটাকে আরও সামনে এগিয়ে নিয়ে যাব।
আর সত্যি কথা বলতে , যতদিন বাচব ইন-শা-আল্লাহ উনারা যদি সার্ভিস অ্যাভাইলাভেল রাখেন তাহলে উনাদের সার্ভিস নিয়ে যাব ইনশাআল্লাহ্ এবং আমার পরিচিত যারা আছে তাদের হাইলি রিকমেন্ড করবো।
What sits behind those reviews
On the left, exactly what this page holds. On the right, the record those six clients are talking about — the same scoreboard we keep for every account.
// this page · the track record behind it
$ cmbd audit --compare client-retention
▲ on this page · WHAT YOU CAN READ
▲ the record · ACROSS THE AGENCY
// status: every review below is written by the client, unedited
Want to be the next story?
Send us your site and we will tell you, free of charge, where it stands and what it would take to rank — the same conversation every client on this page started with. No payment needed to ask.
